John Dryden: Absalom and Achitophel

 


John Dryden: Absalom and Achitophel

জন ড্রাইডেনের (John Dryden) বিখ্যাত রাজনৈতিক রূপক কবিতা 'Absalom and Achitophel' (১৬৮১) ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্যাটায়ার। এটি মূলত বাইবেলের একটি গল্পের আদলে তৎকালীন ইংল্যান্ডের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে তুলে ধরে।

নিচে এর বিষয়বস্তু বা মূল উপজীব্য আলোচনা করা হলো:


১. প্রেক্ষাপট: দ্য এক্সক্লুশন ক্রাইসিস (Exclusion Crisis)

১৬৭০-এর দশকের শেষের দিকে ইংল্যান্ডে একটি রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়। রাজা দ্বিতীয় চার্লস-এর কোনো বৈধ সন্তান ছিল না, তাই সিংহাসনের পরবর্তী উত্তরাধিকারী ছিলেন তার ভাই জেমস (যিনি একজন ক্যাথলিক ছিলেন)। প্রটেস্ট্যান্ট প্রধান ইংল্যান্ডে ক্যাথলিক রাজা হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়।

রাজার অবৈধ সন্তান ডিউক অফ মনমাউথ-কে সিংহাসনে বসানোর জন্য একটি গোষ্ঠী চক্রান্ত শুরু করে। ড্রাইডেন এই ঘটনাকেই বাইবেলের রূপক দিয়ে বর্ণনা করেছেন।

২. বাইবেলের রূপক ও চরিত্রায়ন

ড্রাইডেন এই কবিতায় সমসাময়িক বাস্তব চরিত্রগুলোকে বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টের চরিত্র হিসেবে সাজিয়েছেন:

চরিত্র (বাইবেল)

বাস্তব চরিত্র (ইতিহাস)

পরিচয়

কিং ডেভিড (David)

রাজা দ্বিতীয় চার্লস

ইংল্যান্ডের রাজা।

অ্যাবসালাম (Absalom)

ডিউক অফ মনমাউথ

রাজার অবৈধ কিন্তু প্রিয় পুত্র, যে বিদ্রোহ করে।

অ্যাচিটোফেল (Achitophel)

আর্ল অফ শ্যাফ্টসবেরি

চক্রান্তকারী কুচক্রী মন্ত্রী যে বিদ্রোহে উস্কানি দেয়।

ইসরায়েল (Israel)

ইংল্যান্ড

রূপক দেশটি।

জেবুসাইটস (Jebusites)

রোমান ক্যাথলিক

ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠী।

৩. মূল কাহিনী বা বিষয়বস্তু

  • অ্যাচিটোফেলের প্ররোচনা: কবিতার শুরুতে দেখা যায় অ্যাচিটোফেল (শ্যাফ্টসবেরি) অত্যন্ত ধূর্ত। সে বুঝতে পারে যে রাজপুত্র অ্যাবসালাম জনগণের কাছে খুব জনপ্রিয়। সে অ্যাবসালামকে প্ররোচিত করে যে, সে রাজার অবৈধ সন্তান হলেও সিংহাসনের দাবিদার হতে পারে।

  • অ্যাবসালামের দ্বিধা: প্রথমে অ্যাবসালাম তার পিতার (রাজা ডেভিড) প্রতি অনুগত থাকে। কিন্তু অ্যাচিটোফেলের ক্রমাগত প্ররোচনা এবং ক্ষমতার লোভে সে শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহ করতে রাজি হয়।

  • বিদ্রোহের বিস্তার: অ্যাবসালাম দেশজুড়ে সফর করে এবং সাধারণ মানুষের সমর্থন আদায় করার চেষ্টা করে। ড্রাইডেন এখানে জনসাধারণের হুজুগে মেতে ওঠাকে ব্যঙ্গ করেছেন।

  • রাজা ডেভিডের প্রতিক্রিয়া: কবিতার শেষ অংশে রাজা ডেভিড ধৈর্য হারিয়ে তাঁর রাজকীয় ক্ষমতা প্রদর্শন করেন। তিনি একটি দীর্ঘ বক্তৃতা দেন যেখানে তিনি আইনের শাসন এবং বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করেন।

৪. ড্রাইডেনের উদ্দেশ্য

ড্রাইডেন এই কবিতার মাধ্যমে দেখাতে চেয়েছেন যে:

  1. বিদ্রোহ বা গৃহযুদ্ধ একটি দেশের জন্য কতটা ক্ষতিকর।

  2. রাজার ক্ষমতা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখা জরুরি।

  3. অ্যাচিটোফেলের মতো ধূর্ত রাজনীতিকরা কীভাবে সাধারণ মানুষকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করে।


এই কবিতার কিছু পংক্তি ইংরেজি সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। বিশেষ করে ধূর্ত রাজনীতিক অ্যাচিটোফেল (আর্ল অফ শ্যাফ্টসবেরি)-এর চরিত্রায়নে ড্রাইডেন যে তীক্ষ্ণ ভাষা ব্যবহার করেছেন, তা অতুলনীয়।

নিচে সবচেয়ে বিখ্যাত কিছু অংশের মূল ইংরেজি ও বাংলা ভাবার্থ দেওয়া হলো:


১. অ্যাচিটোফেলের ধূর্ততা (The Character of Achitophel)

ড্রাইডেন শ্যাফ্টসবেরিকে একজন অস্থির এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন:

"A fiery soul, which, working out its way, Fretted the pigmy body to decay, And o'er-informed the tenement of clay."

বাংলা ভাবার্থ: "একটি জ্বলন্ত আত্মা, যা নিজের পথ করে নিতে গিয়ে নিজের ক্ষুদ্র শরীরটিকে ক্ষয় করে ফেলছিল; যেন একটি মাটির ঘরে (দেহে) প্রয়োজনের চেয়েও বেশি তেজ ঠাসা ছিল।"

এখানে ড্রাইডেন বোঝাচ্ছেন যে, শ্যাফ্টসবেরির বুদ্ধি এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা এতটাই তীব্র ছিল যে তার শরীর সেই ভার সইতে পারছিল না।


২. জনগণের হুজুগ নিয়ে ব্যঙ্গ

সাধারণ মানুষ যখন কোনো বিচার-বিবেচনা ছাড়াই বিদ্রোহীদের সমর্থন করে, তখন ড্রাইডেন লেখেন:

"The herd possessed with a common spirit of rebellion"

বাংলা ভাবার্থ: "জনতার সেই পাল, যারা বিদ্রোহের এক উন্মাদনায় আচ্ছন্ন।" (এখানে তিনি সাধারণ মানুষকে 'পাল' বা গবাদি পশুর সাথে তুলনা করেছেন যারা কোনো যুক্তি ছাড়াই নেতার পিছু নেয়।)


৩. জিমরি (Zimri) - বাকিনহামের ডিউকের চরিত্রায়ন

এটি স্যাটায়ারের ইতিহাসে অন্যতম সেরা আক্রমণাত্মক বর্ণনা। ড্রাইডেন এখানে ডিউক অফ বাকিনহামকে নিয়ে উপহাস করেছেন:

"A man so various, that he seem'd to be Not one, but all mankind's epitome: Stiff in opinions, always in the wrong, Was everything by starts, and nothing long."

বাংলা ভাবার্থ: "এমন এক বিচিত্র মানুষ, যাকে দেখে মনে হয় সে কোনো একজন ব্যক্তি নয়, বরং গোটা মানবজাতির এক সংমিশ্রণ। সে নিজের ভুল মতে অনড় থাকতো, আর সবকিছুই শুরু করতো হুটহাট করে, কিন্তু কোনো কিছুই দীর্ঘস্থায়ী হতো না।"


৪. মহানুভব রাজা ডেভিড (রাজা দ্বিতীয় চার্লস)

কবিতার শেষে ড্রাইডেন রাজার ধৈর্য ও দয়া নিয়ে বলেন:

"Beware the fury of a patient man."

বাংলা ভাবার্থ: "একজন ধৈর্যশীল মানুষের ক্রোধ থেকে সাবধান থেকো।" (অর্থাৎ, রাজা চার্লস শান্ত থাকলেও যখন তিনি রুখে দাঁড়াবেন, তখন বিদ্রোহীরা টিকতে পারবে না।)

অবশ্যই। জন ড্রাইডেনের 'Absalom and Achitophel' শুধুমাত্র এর রাজনৈতিক বার্তার জন্য নয়, বরং এর কাব্যিক কারুকার্য বা শৈল্পিক উৎকর্ষের জন্যও ইংরেজি সাহিত্যে এক মাইলফলক।

নিচে কবিতাটির ছন্দ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শৈল্পিক দিকগুলো আলোচনা করা হলো:


১. হিরোইক কাপলেট (Heroic Couplet)

ড্রাইডেন এই কবিতায় 'Heroic Couplet' ব্যবহার করেছেন, যা অগাস্টান যুগের (Augustan Age) কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য।

  • গঠন: এটি মূলত দুই লাইনের একটি স্তবক যা অন্ত্যমিল (Rhyme) যুক্ত এবং Iambic Pentameter ছন্দে লেখা। অর্থাৎ, প্রতি লাইনে পাঁচটি করে স্ট্রেসড (Stressed) এবং পাঁচটি আনস্ট্রেসড (Unstressed) সিলেবল থাকে।

  • বৈশিষ্ট্য: ড্রাইডেনের কাপলেটগুলো খুব আঁটসাঁট এবং যুক্তিপূর্ণ। তিনি প্রতিটি জোড়া লাইনের মধ্যেই একটি সম্পূর্ণ ভাবনা শেষ করার চেষ্টা করতেন।

  • উদাহরণ: > "Great wits are sure to madness near allied,
    And thin partitions do their bounds divide."
    (এখানে 'allied' এবং 'divide' শব্দ দুটির মধ্যে চমৎকার অন্ত্যমিল রয়েছে।)

২. রাজনৈতিক রূপক (Political Allegory) সম্বলিত স্যাটায়ার

ড্রাইডেন সরাসরি সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে না লিখে বাইবেলের ছদ্মবেশ ধারণ করেছেন। একে বলা হয় 'Allegory'।

  • এর ফলে তিনি অত্যন্ত মার্জিতভাবে এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে রাজা চার্লসের বিরোধীদের আক্রমণ করতে পেরেছেন।

  • এটি কোনো সাধারণ গালিগালাজ নয়, বরং একটি 'Varronian Satire' বা 'Menippean Satire'-এর আধুনিক রূপ, যেখানে হাস্যরস এবং তীক্ষ্ণ সমালোচনা মিশে থাকে।

৩. চরিত্র অঙ্কন (Character Portraits)

এই কবিতার অন্যতম বড় শক্তি হলো এর 'Portraits' বা চরিত্র চিত্রণ। ড্রাইডেন তাঁর শত্রুদের (যেমন শ্যাফ্টসবেরি বা বাকিনহাম) এমনভাবে বর্ণনা করেছেন যে তারা চিরস্থায়ী ব্যঙ্গচিত্রে পরিণত হয়েছে।

  • তিনি শত্রুর ভালো গুণগুলোও মাঝে মাঝে উল্লেখ করেন, যাতে তার পরবর্তী আক্রমণগুলো আরও বিশ্বাসযোগ্য এবং ধারালো মনে হয়।

৪. ওরেটরিক্যাল স্টাইল (Oratorical Style)

কবিতাটি পড়লে মনে হয় কেউ যেন জনসভায় ভাষণ দিচ্ছে। বিশেষ করে যখন রাজা ডেভিড বা অ্যাচিটোফেল কথা বলে, তখন তাদের যুক্তির বিন্যাস এবং ভাষার তেজ অত্যন্ত জোরালো হয়। একে বলা হয় 'Grand Style'।


৫. শৈল্পিক বৈশিষ্ট্য একনজরে

বৈশিষ্ট্য

বিবরণ

ভাষা

অত্যন্ত মার্জিত, বুদ্ধিদীপ্ত এবং শাণিত।

বিদ্রূপ (Wit)

বুদ্ধিমত্তার সাথে শত্রুকে হেনস্থা করার কৌশল।

ভারসাম্য (Balance)

লাইনের ভেতরে শব্দের বিন্যাস খুব সুসংগত।

উদ্দেশ্য

বিনোদনের মাধ্যমে রাজনৈতিক শিক্ষা দেওয়া (Didacticism)।


একটি মজার তথ্য: ড্রাইডেন এই কবিতায় তাঁর প্রধান শত্রু শ্যাফ্টসবেরিকে (অ্যাচিটোফেল) এতটাই নিপুণভাবে আক্রমণ করেছিলেন যে, বলা হয় সেই সময় এই কবিতাটি আক্ষরিক অর্থেই একটি রাজনৈতিক অস্ত্রের মতো কাজ করেছিল।

হ্যাঁ, Iambic Pentameter এবং Heroic Couplet কীভাবে কাজ করে তা একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝলে ড্রাইডেনের কাব্যশৈলী ধরা সহজ হবে।

আসলে ড্রাইডেন এই ছন্দে এতটাই দক্ষ ছিলেন যে তার কবিতাগুলো পড়লে মনে হয় কেউ খুব যুক্তিপূর্ণ এবং ছন্দময় কোনো ভাষণ দিচ্ছে।


১. Iambic Pentameter কী?

এটি মূলত ইংরেজি কবিতার একটি মাপকাঠি। এর দুটি অংশ আছে:

  • Iamb (আইয়াম্ব): এটি একটি দুই অক্ষরের (Syllable) একক বা 'ফুট' (Foot), যেখানে প্রথম অক্ষরটি হালকা বা অনুচ্চারিত (Unstressed) এবং দ্বিতীয়টি জোরালো বা উচ্চারিত (Stressed) হয়। যেমন: be-FORE, ex-IST।

  • Pentameter (পেন্টামিটার): 'পেন্টা' মানে পাঁচ। অর্থাৎ একটি লাইনে যখন পাঁচটি এমন 'Iamb' থাকে, তখন তাকে আইয়াম্বিক পেন্টামিটার বলে। প্রতিটি লাইনে মোট ১০টি অক্ষর থাকে।

২. ছন্দ বিশ্লেষণ (Scansion)

চলুন 'Absalom and Achitophel' থেকে একটি বিখ্যাত লাইনের ছন্দ দেখি:

"In pi-ous times, ere priest-craft did be-gin"

যদি আমরা জোর দেওয়া (/) এবং জোর না দেওয়া (x) চিহ্ন দিয়ে ভাগ করি:

১টি Foot

২য় Foot

৩য় Foot

৪র্থ Foot

৫ম Foot

In pi-

ous times,

ere priest-

craft did

be-gin

(x /)

(x /)

(x /)

(x /)

(x /)

৩. হিরোইক কাপলেট (Heroic Couplet) এর গঠন

ড্রাইডেন যখন এই আইয়াম্বিক পেন্টামিটার লাইনগুলোকে জোড়ায় জোড়ায় লিখতেন এবং তাদের মধ্যে অন্ত্যমিল (Rhyme) রাখতেন, তখনই তা Heroic Couplet হয়ে উঠত।

উদাহরণ:

“Great wits are sure to mad-ness near al-lied, (A)

And thin par-ti-tions do their bounds di-vide.” (A)

এখানে:

  • প্রতিটি লাইনে ১০টি করে অক্ষর আছে।

  • ছন্দটি x / x / x / x / x / এই প্যাটার্নে চলছে।

  • শেষে 'allied' এবং 'divide' শব্দ দুটির মধ্যে চমৎকার মিল (A-A) আছে।

Read More (Index-)

1. ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস  

2. অ্যাংলো স্যাক্সন যুগ : ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাস 

3.  অ্যাংলো নরম্যান যুগ : ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাস

4.  মিডল ইংলিশ পিরিয়ড এবং চসারের যুগ

5. ওল্ড ইংলিশ বা অ্যাংলো-স্যাক্সন যুগ (৪৫০১০৬৬)

6.মিডল ইংলিশ বা মধ্যযুগ (১০৬৬১৫০০

7. জেফ্রি চসারের 'দ্য ক্যান্টারবেরি টেলস' (The Canterbury Tales)  

8. Sir Thomas Malory: Le Morte d'Arthur   

9. William Langland: Piers Plowman 

10. রেনেসাঁ বা নবজাগরণ যুগ (১৫০০১৬৬০

11. William Shakespeare: Hamlet, Macbeth, Romeo and Juliet  

12. Christopher Marlowe: Doctor Faustus   

13.Edmund Spenser: The Faerie Queene     

14. John Milton: Paradise Lost (প্যারাডাইস লস্ট)

15.নিও-ক্লাসিক্যাল যুগ (১৬৬০১৭৯৮

16. John Dryden: Absalom and Achitophel   

17. Alexander Pope: The Rape of the Lock 

18. Jonathan Swift: Gulliver's Travels (গালিভার্স ট্রাভেলস)   

19. Daniel Defoe: Robinson Crusoe  

20. রোমান্টিক যুগ (১৭৯৮১৮৩২) : আবেগপ্রকৃতি এবং কল্পনার জয়গান ছিল এই যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য 

21. William Wordsworth & S.T. Coleridge: Lyrical Ballads  :  বিষয়বস্তু আলোচনা  প্রাচ্য  পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব

22. John Keats: Ode to a Nightingale : বিষয়বস্তু আলোচনা  প্রাচ্য  পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব 

23. P.B. Shelley: Ode to the West Wind : বিষয়বস্তু আলোচনা  প্রাচ্য  পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব 

24. Jane Austen: Pride and Prejudice : বিষয়বস্তু আলোচনা  প্রাচ্য  পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব 

25. ভিক্টোরিয়ান যুগ (১৮৩২১৯০১শিল্প বিপ্লব এবং সামাজিক সমস্যার প্রতিফলন

26. Charles Dickens: David Copperfield, A Tale of Two Cities;

27. Lord Tennyson: In Memoriam: বিষয়বস্তু 

28. Robert Browning: My Last Duchess  বিষয়বস্তু

29. Thomas Hardy: Tess of the d'Urbervilles   বিষয়বস্তু 

30. আধুনিক যুগ (১৯০১১৯৩৯প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব এবং মানুষের বিচ্ছিন্নতাবোধ 

31. T.S. Eliot: The Waste Land (দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড)  বিষয়বস্তু 

32. Virginia Woolf: Mrs Dalloway: বিষয়বস্তু  

33. James Joyce: Ulysses  :বিষয়বস্তু 

34. George Bernard Shaw: Pygmalion: বিষয়বস্তু 

35. উত্তর-আধুনিক যুগ (১৯৩৯বর্তমানদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সাহিত্যে অনিশ্চয়তা 

36. Samuel Beckett: Waiting for Godot: বিষয়বস্তু 

37. George Orwell: 1984, Animal Farm: বিষয়বস্তু  

৪. কেন ড্রাইডেন এই ছন্দ ব্যবহার করতেন?

  • যুক্তি ও শৃঙ্খলা: এই ছন্দটি খুব সুশৃঙ্খল। ড্রাইডেন মনে করতেন রাজতন্ত্র বা রাজনীতির আলোচনায় বিশৃঙ্খলার কোনো জায়গা নেই, তাই কবিতাতেও শৃঙ্খলা থাকা জরুরি।

  • স্মরণযোগ্যতা: অন্ত্যমিল থাকার কারণে এই লাইনগুলো মানুষের মুখে মুখে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ত এবং সহজে মুখস্থ থাকত।

  • তীক্ষ্ণতা: দুই লাইনের ভেতরে একটি পূর্ণাঙ্গ বিদ্রূপ বা 'Punchline' দেওয়া খুব সহজ ছিল।


ড্রাইডেনের এই ছন্দের হাত ধরেই পরবর্তীতে আলেকজান্ডার পোপ (Alexander Pope) ইংরেজি কবিতাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন।

উপসংহার:

ড্রাইডেন এখানে রাজতন্ত্রের সমর্থক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি রূপকের আড়ালে ডিউক অফ মনমাউথকে কিছুটা দয়া দেখালেও আর্ল অফ শ্যাফ্টসবেরিকে (অ্যাচিটোফেল) অত্যন্ত নির্দয়ভাবে আক্রমণ করেছেন। এটি কেবল একটি কবিতাই নয়, বরং এটি একটি তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক হাতিয়ার। পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।। ভালো লাগলে  অবশ্যই লাইক শেয়ার করুন।।লেখক : আব্দুল মুসরেফ খাঁন (কনকপুর)পাঁশকুড়া : পূর্বমেদিনীপুর : email :lib.pbc@gmail.com

Post a Comment

0 Comments