Thomas Hardy: Tess of the d'Urbervilles বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব
টমাস হার্ডির 'টেস অব দ্য ডারবারভিলস' (Tess of the d'Urbervilles) ইংরেজি সাহিত্যের একটি কালজয়ী উপন্যাস। ১৮৯১ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে হার্ডি এক সাধারণ গ্রামীণ তরুণীর ট্র্যাজিক জীবন আখ্যানের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজব্যবস্থা, ধর্মীয় গোঁড়ামি এবং ভাগ্যের নির্মমতাকে ফুটিয়ে তুলেছেন।
নিচে আপনার চাহিদা অনুযায়ী এর বিষয়বস্তু এবং প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে এর প্রভাব আলোচনা করা হলো:
১. বিষয়বস্তু আলোচনা (Summary and Themes)
উপন্যাসের মূল কেন্দ্রে রয়েছে টেস ডারবিফিল্ড নামে এক সরল গ্রাম্য মেয়ে। তার বাবা যখন জানতে পারেন যে তারা প্রাচীন ও অভিজাত 'ডারবারভিল' বংশের বংশধর, তখন থেকেই টেসের দুর্ভাগ্য শুরু হয়।
যৌন শোষণ ও সামাজিক কলঙ্ক: টেসকে যখন তার ধনী আত্মীয় অ্যালেক ডারবারভিলের কাছে পাঠানো হয়, তখন অ্যালেক তাকে প্রলুব্ধ ও ধর্ষণ করে। টেস একটি সন্তানের জন্ম দেয় যে অল্প সময়ের মধ্যেই মারা যায়। সমাজ তাকে 'পতিতা' বা 'পাপী' হিসেবে চিহ্নিত করে, অথচ তার কোনো দোষ ছিল না।
আদর্শবাদ বনাম বাস্তবতা: টেস যখন অ্যাঞ্জেল ক্লেয়ারের প্রেমে পড়ে এবং তাকে বিয়ে করে, তখন সে তার অতীতের কথা প্রকাশ করে। অ্যাঞ্জেল নিজে প্রগতিশীল দাবি করলেও টেসের অতীত মেনে নিতে পারে না এবং তাকে পরিত্যাগ করে। এখানে হার্ডি পুরুষতান্ত্রিক সমাজের দ্বিমুখী নীতি (Double Standard) তুলে ধরেছেন।
প্রকৃতি ও নিয়তি: হার্ডির উপন্যাসে প্রকৃতি একটি জীবন্ত চরিত্র। টেসের জীবনের উত্থান-পতন প্রকৃতির পরিবর্তনের সাথে মিলে যায়। হার্ডি দেখিয়েছেন যে মানুষ চাইলেও তার ভাগ্য বা 'নিমিত্তবাদ' (Fatalism) থেকে মুক্তি পায় না।
শুদ্ধতা: উপন্যাসের উপশিরোনাম ছিল "A Pure Woman Faithfully Presented"। হার্ডি বোঝাতে চেয়েছেন যে শারীরিক লাঞ্ছনা একজন নারীর আত্মিক শুদ্ধতাকে নষ্ট করতে পারে না।
২. পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব
পাশ্চাত্য সাহিত্যে টেসের প্রভাব সুদূরপ্রসারী। এটি ভিক্টোরিয়ান যুগের নৈতিকতার মূলে কুঠারাঘাত করেছিল।
নারীবাদী সমালোচনা: টেসকে কেন্দ্র করে আধুনিক নারীবাদী সাহিত্যের ভিত্তি মজবুত হয়েছে। ভার্জিনিয়া উলফ বা ডি.এইচ. লরেন্সের লেখায় হার্ডির এই সাহসিকতার প্রভাব দেখা যায়।
প্রাকৃতিকতাবাদ (Naturalism): এমিল জোলা বা স্টিফেন ক্রেনের মতো লেখকরা যেভাবে মানুষকে পরিবেশ ও বংশগতির শিকার হিসেবে দেখিয়েছেন, হার্ডি তার পথপ্রদর্শক ছিলেন।
চলচ্চিত্র ও থিয়েটার: রোমান পোলানস্কি থেকে শুরু করে আধুনিক অনেক পরিচালক টেসকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন, যা পাশ্চাত্য পপ-কালচারেও টেসকে একটি আইকনিক চরিত্র হিসেবে টিকিয়ে রেখেছে।
৩. প্রাচ্য সাহিত্যে প্রভাব
প্রাচ্য সাহিত্য, বিশেষ করে বাংলা সাহিত্যে টেসের প্রভাব অত্যন্ত গভীর। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ভারতীয় লেখকরা যখন গ্রামীণ জীবন ও নারীর অবস্থান নিয়ে লিখতে শুরু করেন, তখন হার্ডি ছিলেন তাদের অন্যতম অনুপ্রেরণা।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: শরৎচন্দ্রের উপন্যাসে (যেমন- 'চরিত্রহীন' বা 'শ্রীকান্ত') যে লাঞ্ছিত কিন্তু মহীয়সী নারী চরিত্ররা দেখা যায়, তাদের সাথে টেসের আত্মিক মিল রয়েছে। সমাজ যাকে 'অপবিত্র' বলে ত্যাগ করে, লেখক তাকেই 'মহৎ' হিসেবে তুলে ধরছেন—এই দর্শনটি টেসের মতোই।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প বা উপন্যাসে (যেমন- 'শাস্তি' বা 'যোগাযোগ') নারীর মনস্তত্ত্ব এবং সামাজিক নিগড়ের যে লড়াই দেখা যায়, সেখানে হার্ডির জীবনবোধের ছায়া লক্ষ্য করা যায়।
বাস্তববাদ ও গ্রামীণ সমাজ: প্রাচ্যের সাহিত্যিকরা টেসের মাধ্যমে বুঝেছিলেন যে গ্রামীণ দারিদ্র্য এবং আভিজাত্যের লড়াই কীভাবে ব্যক্তিসত্তাকে পিষে ফেলে। বিভূতিভূষণ বা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসে প্রকৃতির যে রুদ্ররূপ এবং মানুষের অসহায়ত্ব দেখা যায়, তার মূলে হার্ডির প্রভাব অনস্বীকার্য।
টমাস হার্ডি টেসকে কেবল একটি চরিত্র হিসেবে নয়, বরং পিতৃতান্ত্রিক সমাজ ও অন্ধ ভাগ্যের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে গড়ে তুলেছেন। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য—উভয় প্রান্তেই টেস আজও প্রাসঙ্গিক কারণ নারীর লড়াই এবং নৈতিকতার সংজ্ঞা নিয়ে প্রশ্নগুলো আজও শেষ হয়ে যায়নি।
টমাস হার্ডি 'টেস অব দ্য ডারবারভিলস'-এ টেসের জীবনের দুই পুরুষকে দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন সত্তা হিসেবে এঁকেছেন। একজন তার শরীরকে ধ্বংস করেছে, অন্যজন তার মনকে।
১. অ্যালেক ডারবারভিল (Alec d'Urberville): প্রথাগত খলনায়ক?
অ্যালেক চরিত্রটি আপাতদৃষ্টিতে একজন লম্পট এবং সুবিধাবাদী হিসেবে ফুটে উঠলেও, তার চরিত্রে কিছু জটিলতা আছে:
শোষকের প্রতীক: সে ধনী এবং প্রভাবশালী শ্রেণির প্রতিনিধি। টেসের সরলতার সুযোগ নিয়ে সে তাকে যৌন শোষণ করে।
অস্থির চরিত্র: উপন্যাসের এক পর্যায়ে আমরা দেখি অ্যালেক ধর্ম প্রচারক হয়ে গেছে। কিন্তু তার এই রূপান্তর স্থায়ী হয় না। টেসকে দেখার সাথে সাথেই তার পুরোনো স্বভাব ফিরে আসে।
দায়িত্বহীন ভালোবাসা: অ্যালেক টেসকে ভালোবাসার দাবি করলেও, তা ছিল মূলত শারীরিক এবং অধিকারবোধের। সে টেসের জীবনের সমস্ত বিপর্যয়ের মূল কারণ।
২. অ্যাঞ্জেল ক্লেয়ার (Angel Clare): আদর্শবাদী কিন্তু সংকীর্ণমনা
অ্যাঞ্জেল চরিত্রটি অ্যালেকের চেয়েও বেশি ট্র্যাজিক এবং বিতর্কিত। হার্ডি তাকে একজন 'আধুনিক' মানুষ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিলেও শেষে তার রক্ষণশীলতাই জয়ী হয়:
বিদ্রোহী শিক্ষিত যুবক: অ্যাঞ্জেল তার বাবার রক্ষণশীল ধর্মীয় পথ ত্যাগ করে চাষাবাদ শিখতে আসে। সে নিজেকে মুক্তমনা বলে দাবি করে।
দ্বিমুখী নীতি (Double Standard): অ্যাঞ্জেল যখন টেসকে তার নিজের অতীতের ভুলের কথা বলে, টেস তাকে ক্ষমা করে দেয়। কিন্তু টেস যখন তার সাথে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার কথা (ধর্ষণ) বলে, অ্যাঞ্জেল তাকে ক্ষমা করতে পারে না। সে বলে— "The woman I have been loving is not you."
অকাল অনুশোচনা: উপন্যাসের শেষে যখন অ্যাঞ্জেল তার ভুল বুঝতে পারে, তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। তার এই "আদর্শবাদের অহংকার" টেসকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়।
অ্যালেক বনাম অ্যাঞ্জেল: একটি তুলনা
সংক্ষেপে: অ্যালেক যদি টেসের দেহের ওপর আঘাত করে থাকে, তবে অ্যাঞ্জেল আঘাত করেছে তার আত্মার ওপর। হার্ডি দেখাতে চেয়েছেন যে, অনেক সময় তথাকথিত 'ভদ্রলোক' বা 'আদর্শবাদী' পুরুষরা একজন লম্পট পুরুষের চেয়েও বেশি নিষ্ঠুর হতে পারে।
টমাস হার্ডির টেস অব দ্য ডারবারভিলস উপন্যাসে যৌন চেতনা বা যৌনতা (Sexual Consciousness) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তৎকালীন সময়ের জন্য সাহসী বিষয় ছিল। হার্ডি যখন এই উপন্যাসটি লেখেন, তখন ভিক্টোরিয়ান সমাজ ছিল চরম রক্ষণশীল। সেই সময়ে নারীর যৌনতা বা লাঞ্ছিত হওয়ার বিষয়গুলো সাহিত্যে সরাসরি আনা ছিল একপ্রকার নিষিদ্ধ।
হার্ডি এই উপন্যাসে যৌন চেতনাকে কয়েকটি স্তরে বিন্যস্ত করেছেন:
১. প্রকৃতির সাথে যৌনতার সংযোগ
হার্ডি টেসকে কেবল একজন নারী হিসেবে নয়, বরং প্রকৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখিয়েছেন। টেস যখন গরুর খামারে (Talbothays Dairy) কাজ করে, তখন সেখানকার পরিবেশ ছিল প্রজনন ক্ষমতা এবং উর্বরতায় ভরপুর। প্রকৃতির এই 'যৌন আবেদন' বা 'Fertility' টেসের জীবনের সাথে মিশে যায়। হার্ডি বোঝাতে চেয়েছেন যে, যৌনতা কোনো পাপ নয় বরং এটি একটি প্রাকৃতিক নিয়ম।
২. অ্যালেক ডারবারভিল: পাশবিক ও শিকারি যৌনতা
অ্যালেক চরিত্রটি টেসের জীবনে যৌনতার অন্ধকার দিকটি নিয়ে আসে। দ্য চেজ (The Chase) জঙ্গলে টেসকে কুয়াশার মধ্যে ধর্ষণের ঘটনাটি হার্ডি সরাসরি বর্ণনা করেননি, কিন্তু প্রতীকের মাধ্যমে বুঝিয়েছেন। এখানে যৌনতা ছিল ক্ষমতা এবং শোষণের হাতিয়ার। অ্যালেকের কাছে যৌনতা ছিল কেবলই শারীরিক তৃপ্তি এবং আধিপত্য।
৩. অ্যাঞ্জেল ক্লেয়ার: আধ্যাত্মিক বনাম শারীরিক দ্বন্দ্ব
অ্যাঞ্জেলের কাছে যৌন চেতনা ছিল অত্যন্ত জটিল। সে টেসকে ভালবেসেছিল তার পবিত্রতা বা 'Purity'র জন্য। কিন্তু যখন সে জানতে পারে যে টেসের যৌন অভিজ্ঞতা (যদিও তা অনিচ্ছাকৃত) আছে, তখন তার তথাকথিত 'আধুনিক মন' ভেঙে পড়ে। অ্যাঞ্জেলের এই আচরণ পুরুষতান্ত্রিক সমাজের সেই চিরস্থায়ী 'Madonna-Whore Complex'-কে তুলে ধরে—যেখানে পুরুষ নারীকে হয় দেবী হিসেবে দেখতে চায়, নয়তো অপবিত্র হিসেবে।
৪. টেসের নিজস্ব চেতনা ও ট্র্যাজেডি
টেস নিজে তার শরীর বা যৌনতা নিয়ে সচেতন ছিল না; বরং সে ছিল পরিস্থিতির শিকার। হার্ডি উপন্যাসের উপশিরোনামে তাকে "A Pure Woman" বলে অভিহিত করেছেন। এর মাধ্যমে লেখক এক বিশাল বৈপ্লবিক ধারণা দিয়েছিলেন: নারীর সতীত্ব বা পবিত্রতা তার শরীরে নয়, তার আত্মায় থাকে। টেসের যৌন লাঞ্ছনা তার মনের পবিত্রতাকে নষ্ট করতে পারেনি।
Read More (Index-)
2. অ্যাংলো স্যাক্সন যুগ : ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাস 
3. অ্যাংলো নরম্যান যুগ : ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাস
4. মিডল ইংলিশ পিরিয়ড এবং চসারের যুগ
5. ওল্ড ইংলিশ বা অ্যাংলো-স্যাক্সন যুগ (৪৫০–১০৬৬)
6.মিডল ইংলিশ বা মধ্যযুগ (১০৬৬–১৫০০) 
7. জেফ্রি চসারের 'দ্য ক্যান্টারবেরি টেলস' (The Canterbury Tales) 
8. Sir Thomas Malory: Le Morte d'Arthur 
9. William Langland: Piers Plowman 
10. রেনেসাঁ বা নবজাগরণ যুগ (১৫০০–১৬৬০) 
11. William Shakespeare: Hamlet, Macbeth, Romeo and Juliet 
12. Christopher Marlowe: Doctor Faustus 
13.Edmund Spenser: The Faerie Queene 
14. John Milton: Paradise Lost (প্যারাডাইস লস্ট)
15.নিও-ক্লাসিক্যাল যুগ (১৬৬০–১৭৯৮) 
16. John Dryden: Absalom and Achitophel 
17. Alexander Pope: The Rape of the Lock 
18. Jonathan Swift: Gulliver's Travels (গালিভার্স ট্রাভেলস) 
19. Daniel Defoe: Robinson Crusoe 
20. রোমান্টিক যুগ (১৭৯৮–১৮৩২) : আবেগ, প্রকৃতি এবং কল্পনার জয়গান ছিল এই যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য 
21. William Wordsworth & S.T. Coleridge: Lyrical Ballads : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব: 
22. John Keats: Ode to a Nightingale : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব 
23. P.B. Shelley: Ode to the West Wind : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব 
24. Jane Austen: Pride and Prejudice : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব 
25. ভিক্টোরিয়ান যুগ (১৮৩২–১৯০১) শিল্প বিপ্লব এবং সামাজিক সমস্যার প্রতিফলন
26. Charles Dickens: David Copperfield, A Tale of Two Cities;
27. Lord Tennyson: In Memoriam: বিষয়বস্তু 
28. Robert Browning: My Last Duchess বিষয়বস্তু
29. Thomas Hardy: Tess of the d'Urbervilles বিষয়বস্তু 
30. আধুনিক যুগ (১৯০১–১৯৩৯) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব এবং মানুষের বিচ্ছিন্নতাবোধ 
31. T.S. Eliot: The Waste Land (দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড) বিষয়বস্তু 
32. Virginia Woolf: Mrs Dalloway: বিষয়বস্তু 
33. James Joyce: Ulysses :বিষয়বস্তু 
34. George Bernard Shaw: Pygmalion: বিষয়বস্তু 
35. উত্তর-আধুনিক যুগ (১৯৩৯–বর্তমান) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সাহিত্যে অনিশ্চয়তা 
৫. সমাজের দ্বিমুখী নীতি (Double Standard)
উপন্যাসে দেখা যায়, অ্যাঞ্জেল নিজেও বিয়ের আগে একজনের সাথে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত ছিল। সে যখন টেসকে তা জানায়, টেস তাকে সাথে সাথে ক্ষমা করে দেয়। কিন্তু টেস যখন একই ধরনের সত্য প্রকাশ করে, অ্যাঞ্জেল তাকে ত্যাগ করে। হার্ডি এই যৌন দ্বিচারিতা বা বৈষম্যকে অত্যন্ত তীব্রভাবে আক্রমণ করেছেন।
সারসংক্ষেপ: হার্ডির কাছে যৌন চেতনা কেবল শরীরী খেলা নয়, বরং এটি সমাজ ও ধর্মের দেওয়া শৃঙ্খল ভাঙার একটি মাধ্যম। টেসের জীবনের ট্র্যাজেডি হলো—তার শরীরকে সমাজ 'অপবিত্র' তকমা দিয়েছিল, যদিও সে মানসিকভাবে ছিল সম্পূর্ণ নিষ্কলুষ। পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।। ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক শেয়ার করুন।।লেখক : আব্দুল মুসরেফ খাঁন (কনকপুর)পাঁশকুড়া : পূর্বমেদিনীপুর : email :lib.pbc@gmail.com

.jpg)
0 Comments