Charles Dickens: David Copperfield, A Tale of Two Cities; বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব
চার্লস ডিকেন্স উনবিংশ শতাব্দীর ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। তাঁর সৃষ্টিশীলতার দুই উজ্জ্বল নিদর্শন হলো 'ডেভিড কপারফিল্ড' (David Copperfield) এবং 'এ টেল অফ টু সিটিজ' (A Tale of Two Cities)। নিচে এই দুই উপন্যাসের বিষয়বস্তু ও সাহিত্যে এদের প্রভাব সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:
১. ডেভিড কপারফিল্ড (David Copperfield)
এই উপন্যাসটিকে ডিকেন্সের 'ছদ্ম-আত্মজীবনী' বলা হয়। তিনি নিজে একে তাঁর "প্রিয় সন্তান" হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বিষয়বস্তু: এটি ডেভিড নামক এক বালকের জন্ম থেকে পরিপক্ক মানুষ হয়ে ওঠার গল্প। শৈশবের দুঃখ-কষ্ট, সৎ বাবার নির্যাতন, লন্ডনের কারখানায় কঠিন শ্রম, এবং পরবর্তীতে শিক্ষা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার চিত্র এখানে অঙ্কিত। মিকবার, স্টিয়ারফোর্থ এবং উরিয়া হিপের মতো কালজয়ী চরিত্রগুলো এই উপন্যাসের প্রাণ।
মূল সুর: ব্যক্তিগত সহনশীলতা, নৈতিকতা এবং প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে জয়লাভ।
২. এ টেল অফ টু সিটিজ (A Tale of Two Cities)
এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা ফরাসি বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে লন্ডন এবং প্যারিস—এই দুই শহরের কাহিনী বর্ণনা করে।
বিষয়বস্তু: উপন্যাসের শুরুতেই সেই বিখ্যাত উক্তি— "It was the best of times, it was the worst of times." এখানে সিডনি কার্টন নামক এক মদ্যপ আইনজীবীর আত্মত্যাগের মহান কাহিনী ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ফরাসি বিপ্লবের ভয়াবহতা, সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এবং অভিজাততন্ত্রের পতনের চিত্র এতে অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে উঠে এসেছে।
মূল সুর: পুনর্জন্ম, আত্মত্যাগ এবং সামাজিক অবিচার।
৩. প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব
ডিকেন্সের এই দুই কালজয়ী সৃষ্টি বিশ্বসাহিত্যের ধারাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।
পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব:
সামাজিক বাস্তববাদ: ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের ইংল্যান্ডের দারিদ্র্য ও শিশুশ্রমকে যেভাবে তুলে ধরেছেন, তা পরবর্তী পাশ্চাত্য লেখকদের (যেমন—টমাস হার্ডি, জর্জ অরওয়েল) বাস্তবধর্মী ও প্রতিবাদী লেখালেখিতে অনুপ্রাণিত করেছে।
চরিত্রায়ন: 'বিল্ডুংসরোমান' বা চরিত্র গঠনের উপন্যাসের ক্ষেত্রে 'ডেভিড কপারফিল্ড' একটি আদর্শ মডেলে পরিণত হয়েছে।
প্রাচ্য সাহিত্যে (বিশেষ করে বাংলা সাহিত্যে) প্রভাব:
বঙ্কিমচন্দ্র ও রবীন্দ্রনাথ: বাংলা উপন্যাসের আদি যুগে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক বর্ণনায় এবং পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পে সাধারণ মানুষের প্রতি যে মমত্ববোধ দেখা যায়, তাতে ডিকেন্সের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
বাস্তববাদী ধারা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসে যে নিপীড়িত সমাজব্যবস্থা ও শৈশবের বঞ্চনার চিত্র পাওয়া যায় (যেমন—'শ্রীকান্ত'), তার সাথে 'ডেভিড কপারফিল্ড'-এর শৈলীগত মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
প্রতিবাদী সুর: দক্ষিণ এশিয়ার প্রগতিশীল ও গণমুখী সাহিত্যচর্চায় ডিকেন্সের সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের থিমগুলো অত্যন্ত জনপ্রিয়।
ডিকেন্সের আবেদন আজও ফুরিয়ে যায়নি, কারণ তাঁর গল্পের কেন্দ্রে থাকে মানুষের আবেগ আর লড়াই।
অবশ্যই! ডিকেন্সের এই দুটি উপন্যাসের চরিত্রগুলোর মধ্যে তুলনা করলে আমরা একজন লেখকের দুই ধরণের শৈল্পিক সত্তাকে দেখতে পাই। একটিতে আছে ব্যক্তিগত আবেগের প্রতিফলন, অন্যটিতে মহৎ আত্মত্যাগ।
নিচে ডেভিড কপারফিল্ড এবং সিডনি কার্টন (এ টেল অফ টু সিটিজ)-এর একটি সংক্ষিপ্ত তুলনামূলক বিশ্লেষণ দেওয়া হলো:
ডেভিড কপারফিল্ড বনাম সিডনি কার্টন: জীবনের জয়গান বনাম জীবনের বিসর্জন
ডিকেন্সের চরিত্রের বিশেষত্ব:
১. ব্যক্তি বনাম সমাজ: ডেভিড কপারফিল্ডের লড়াই ছিল তাঁর নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য, যেখানে সমাজ ছিল তাঁর বাধার প্রাচীর। অন্যদিকে, সিডনি কার্টন ফরাসি বিপ্লবের মতো বিশাল এক সামাজিক ও রাজনৈতিক ঝড়ের মধ্যে পড়ে নিজের ব্যক্তিগত মুক্তি খুঁজছিলেন আত্মত্যাগের মাঝে।
২. পরিণতি: ডেভিডের জীবনের সমাপ্তি ঘটে শান্তি ও সাফল্যে (Domestic Bliss)। কিন্তু সিডনি কার্টনের জীবনের সার্থকতা আসে তাঁর মৃত্যুতে। গিলোটিনে যাওয়ার আগে তাঁর সেই বিখ্যাত উক্তি—
"It is a far, far better thing that I do, than I have ever done..."
৩. বাস্তববাদ ও রোমান্টিকতা: ডেভিড চরিত্রটি অনেক বেশি বাস্তবসম্মত এবং ডিকেন্সের নিজের জীবনের ছায়া। অন্যদিকে, সিডনি কার্টন চরিত্রটি অনেকটা রোমান্টিক বীরের মতো, যে নিজের ত্রুটিগুলো মুছে ফেলে এক মহান উদ্দেশ্যে প্রাণ দেয়।
বাংলা সাহিত্যের দুই দিকপাল—বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়—তাঁদের উপন্যাসে এমন সব চরিত্র সৃষ্টি করেছেন যাদের সাথে চার্লস ডিকেন্সের চরিত্রের এক অদ্ভুত আত্মিক মিল খুঁজে পাওয়া যায়। নিচে ডেভিড কপারফিল্ডের সাথে শ্রীকান্তের এবং সিডনি কার্টনের সাথে বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের ভাবনার একটি তুলনামূলক আলোচনা দেওয়া হলো:
১. ডেভিড কপারফিল্ড বনাম শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত'
এই দুটি চরিত্রের মধ্যে মিল সবচেয়ে বেশি স্পষ্ট। উভয়ই তাঁদের স্রষ্টার ছদ্ম-আত্মজীবনীমূলক চরিত্র।
ভ্রমণ ও অভিজ্ঞতা: ডেভিড যেমন জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে বড় হয়ে ওঠেন, শ্রীকান্তও তেমনি এক যাযাবর জীবন যাপন করেন। উভয়েই জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতার সাক্ষী।
শৈশবের স্মৃতি: ডেভিডের শৈশব যেমন মিকবার বা উরিয়া হিপের মতো বিচিত্র চরিত্রে পূর্ণ, শ্রীকান্তের জীবনও ইন্দ্রনাথের মতো দুঃসাহসী চরিত্রের প্রভাবে গড়ে উঠেছে।
পর্যবেক্ষক সত্তা: ডেভিড এবং শ্রীকান্ত—উভয়েই গল্পের নায়ক হওয়া সত্ত্বেও তাঁরা অনেকটা 'দ্রষ্টা' বা পর্যবেক্ষকের মতো। তাঁরা নিজেদের জীবনের চেয়ে চারপাশের মানুষের জীবনকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে বর্ণনা করেন।
২. সিডনি কার্টন বনাম বঙ্কিমচন্দ্রের 'নবকুমার' (কপালকুণ্ডলা)
এখানে মিলটি সরাসরি চরিত্রের চেয়ে বরং 'ট্র্যাজিক পরিণতি' এবং **'পারিপার্শ্বিকতা'**র ওপর ভিত্তি করে।
অসহায়ত্ব ও নিয়তি: সিডনি কার্টন যেমন ফরাসি বিপ্লবের ঝড়ে পড়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন, নবকুমারও তেমনি কপালকুণ্ডলার প্রতি তাঁর ভালোবাসা এবং সমাজের রক্ষণশীলতার চাপে পড়ে এক ট্র্যাজিক পরিণতির দিকে এগিয়ে যান।
আধ্যাত্মিক ও নৈতিক উচ্চতা: সিডনি কার্টন মদ্যপ ও ব্যর্থ মানুষ হয়েও মৃত্যুর মুহূর্তে এক স্বর্গীয় উচ্চতায় আসীন হন। বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসেও দেখা যায়, জাগতিক সুখের চেয়ে নৈতিক আদর্শ বা নিয়তি অনেক সময় চরিত্রকে বড় করে তোলে।
তুলনামূলক ছক: প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য
একটি মজার তথ্য: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে প্রায়ই 'ভারতের ডিকেন্স' বলা হয়। কারণ, ডিকেন্স যেমন লন্ডনের নিচু তলার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দরদ দিয়ে লিখতেন, শরৎচন্দ্রও তেমনি বাংলার অবহেলিত ও নিপীড়িত মানুষের কথা নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
ডিকেন্সের লিখনশৈলীর সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো তাঁর হাস্যরস (Humor) এবং ব্যঙ্গ (Satire)। অন্যদিকে, বাংলা সাহিত্যে শরৎচন্দ্র বা বঙ্কিমচন্দ্রের হাস্যরস কিছুটা ভিন্ন প্রকৃতির। নিচে এই শৈল্পিক তুলনার একটি রূপরেখা দেওয়া হলো:
১. ডিকেন্সের লিখনশৈলী: অতিরঞ্জন ও মানবিকতা
ডিকেন্সের গদ্য অত্যন্ত বর্ণনামূলক এবং কিছুটা নাটকীয়। তিনি চরিত্রের বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যকে এমনভাবে অতিরঞ্জিত করেন যে তারা একেকটি 'ক্যারিক্যাচার' হয়ে ওঠে।
বিদ্রূপাত্মক হাস্যরস: তিনি সমাজের ত্রুটিগুলো দেখানোর জন্য হাসিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতেন। যেমন—'ডেভিড কপারফিল্ড'-এ মিস্টার মিকবার চরিত্রটি সবসময় ঋণে ডুবে থাকলেও তাঁর আশা এবং কথা বলার ভঙ্গি পাঠককে হাসায়, আবার তাঁর অসহায়ত্বের জন্য করুণাও জাগায়।
পরিবেশের বর্ণনা: ডিকেন্স জড় বস্তুকেও জীবন্ত করে তুলতেন। যেমন—লন্ডনের কুয়াশাকে তিনি একটি দানবের সাথে তুলনা করতেন।
২. শরৎচন্দ্র ও বঙ্কিমচন্দ্রের লিখনশৈলী: সহমর্মিতা ও বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুক
বাংলা সাহিত্যে হাস্যরসের প্রয়োগ ডিকেন্সের তুলনায় কিছুটা বেশি কোমল এবং কখনো কখনো অত্যন্ত তীক্ষ্ণ।
শরৎচন্দ্রের করুণ রসাত্মক হাসি: শরৎচন্দ্রের উপন্যাসে হাসি এবং কান্না হাত ধরাধরি করে চলে। তাঁর হাস্যরস মূলত চরিত্রের সংলাপের মাধ্যমে ফুটে ওঠে (যেমন—'শ্রীকান্ত' উপন্যাসে ইন্দ্রনাথের নির্ভীক রসিকতা)। তাঁর রসবোধে ব্যঙ্গের চেয়ে সহমর্মিতা বেশি থাকে।
বঙ্কিমচন্দ্রের বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুক: বঙ্কিমচন্দ্রের হাস্যরস অনেক সময় অত্যন্ত উচ্চমার্গের এবং জ্ঞানগর্ভ (যেমন—'কমলাকান্তের দপ্তর')। তিনি সমাজের ভণ্ডামিকে আক্রমণ করতে গিয়ে কৌতুককে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতেন।
লিখনশৈলীর তুলনামূলক ছক
একটি বিশেষ দিক: 'Comic Relief'
ডিকেন্স যখন 'এ টেল অফ টু সিটিজ'-এর মতো গম্ভীর ও রক্তাক্ত বিপ্লবের গল্প বলেন, তখনও তিনি ছোট ছোট মজার মুহূর্ত তৈরি করেন যাতে পাঠক হাঁপিয়ে না ওঠে। একইভাবে বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলোর মাঝেও বিদুষক বা কৌতুকময় চরিত্রের অবতারণা করতেন (যেমন—'মৃণালিনী'তে দিগ্বিজয়)।পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।। ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক শেয়ার করুন।।লেখক : আব্দুল মুসরেফ খাঁন (কনকপুর)পাঁশকুড়া : পূর্বমেদিনীপুর : email :lib.pbc@gmail.com
Read More (Index-)
2. অ্যাংলো স্যাক্সন যুগ : ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাস
3. অ্যাংলো নরম্যান যুগ : ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাস
4. মিডল ইংলিশ পিরিয়ড এবং চসারের যুগ
5. ওল্ড ইংলিশ বা অ্যাংলো-স্যাক্সন যুগ (৪৫০–১০৬৬)
6.মিডল ইংলিশ বা মধ্যযুগ (১০৬৬–১৫০০)
7. জেফ্রি চসারের 'দ্য ক্যান্টারবেরি টেলস' (The Canterbury Tales)
8. Sir Thomas Malory: Le Morte d'Arthur
9. William Langland: Piers Plowman
10. রেনেসাঁ বা নবজাগরণ যুগ (১৫০০–১৬৬০)
11. William Shakespeare: Hamlet, Macbeth, Romeo and Juliet
12. Christopher Marlowe: Doctor Faustus
13.Edmund Spenser: The Faerie Queene
14. John Milton: Paradise Lost (প্যারাডাইস লস্ট)
15.নিও-ক্লাসিক্যাল যুগ (১৬৬০–১৭৯৮)
16. John Dryden: Absalom and Achitophel
17. Alexander Pope: The Rape of the Lock
18. Jonathan Swift: Gulliver's Travels (গালিভার্স ট্রাভেলস)
19. Daniel Defoe: Robinson Crusoe
20. রোমান্টিক যুগ (১৭৯৮–১৮৩২) : আবেগ, প্রকৃতি এবং কল্পনার জয়গান ছিল এই যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য
21. William Wordsworth & S.T. Coleridge: Lyrical Ballads : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব:
22. John Keats: Ode to a Nightingale : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব
23. P.B. Shelley: Ode to the West Wind : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব
24. Jane Austen: Pride and Prejudice : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব
25. ভিক্টোরিয়ান যুগ (১৮৩২–১৯০১) শিল্প বিপ্লব এবং সামাজিক সমস্যার প্রতিফলন
26. Charles Dickens: David Copperfield, A Tale of Two Cities;
27. Lord Tennyson: In Memoriam: বিষয়বস্তু
28. Robert Browning: My Last Duchess বিষয়বস্তু
29. Thomas Hardy: Tess of the d'Urbervilles বিষয়বস্তু
30. আধুনিক যুগ (১৯০১–১৯৩৯) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব এবং মানুষের বিচ্ছিন্নতাবোধ
31. T.S. Eliot: The Waste Land (দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড) বিষয়বস্তু
32. Virginia Woolf: Mrs Dalloway: বিষয়বস্তু
33. James Joyce: Ulysses :বিষয়বস্তু
34. George Bernard Shaw: Pygmalion: বিষয়বস্তু
35. উত্তর-আধুনিক যুগ (১৯৩৯–বর্তমান) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সাহিত্যে অনিশ্চয়তা
.jpg)
.jpg)
0 Comments