মিডল ইংলিশ পিরিয়ড এবং চসারের যুগ

 


মিডল ইংলিশ পিরিয়ড (Middle English Period) ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। এটি মূলত ১০৬৬ সালে নরম্যান বিজয়ের মাধ্যমে শুরু হয় এবং ১৫০০ সালের দিকে রেনেসাঁ বা নবজাগরণের সূচনার মাধ্যমে শেষ হয়।

এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সবথেকে উজ্জ্বল নক্ষত্র হলেন জেফ্রি চসার, যার অবদান ছাড়া ইংরেজি সাহিত্যের এই পর্যায়টি অসম্পূর্ণ।


১. মিডল ইংলিশ পিরিয়ড (১০৬৬ – ১৫০০)

নরম্যানদের (ফরাসি বংশোদ্ভূত) বিজয়ের ফলে ইংরেজি ভাষায় আমূল পরিবর্তন আসে। ওল্ড ইংলিশের কঠোর ব্যাকরণগত কাঠামো ভেঙে ভাষাটি আরও সহজ ও নমনীয় হতে শুরু করে।

  • ভাষার বিবর্তন: এই সময়ে রাজকীয় ও প্রশাসনিক কাজে ফরাসি ভাষা ব্যবহৃত হতো, কিন্তু সাধারণ মানুষের ভাষা ছিল ইংরেজি। ধীরে ধীরে এই দুই ভাষার মিশ্রণে একটি নতুন রূপ তৈরি হয়।

  • ধর্মীয় প্রভাব: সাহিত্যের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল চার্চ এবং বাইবেলের কাহিনী।

  • রোম্যান্স ও বীরত্বগাথা: রাজদরবারের বীরত্ব, প্রেম এবং শিষ্টাচার নিয়ে প্রচুর কাব্যগ্রন্থ রচিত হয়।


২. চসারের যুগ (১৩৪০ – ১৪০০)

জেফ্রি চসারকে বলা হয় "ইংরেজি কবিতার জনক" (Father of English Poetry)। তিনি প্রথম কবি যিনি প্রমাণ করেছিলেন যে, ফরাসি বা ল্যাটিন নয়, বরং সাধারণ মানুষের ইংরেজি ভাষাতেও উচ্চমানের সাহিত্য রচনা সম্ভব।

কেন তাকে গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়?

  • উপভাষা থেকে জাতীয় ভাষা: চসার লন্ডনের উপভাষা (East Midland Dialect) ব্যবহার করে লিখতেন, যা পরবর্তীকালে আধুনিক ইংরেজি ভাষার ভিত্তি হিসেবে গণ্য হয়।

  • মানুষের চরিত্রায়ন: তার লেখায় কেবল দেবদেবী বা রাজা-রাণী নয়, বরং সমাজের সাধারণ মানুষ—যেমন তেলি, মালি, সন্ন্যাসী বা সাধারণ নারী—সবার নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠত।

চসারের প্রধান কাজসমূহ:

বইয়ের নাম

বিবরণ

The Canterbury Tales

তার শ্রেষ্ঠ কর্ম। বিভিন্ন পেশার একদল তীর্থযাত্রীর গল্পের সংকলন।

Troilus and Criseyde

মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দীর্ঘ প্রেমের কবিতা।

The House of Fame

ইতালীয় কবি দান্তের প্রভাবে লেখা একটি স্বপ্নচারী রূপক কাব্য।


৩. চসার পরবর্তী যুগ (১৫শ শতাব্দী)

চসারের মৃত্যুর পর থেকে ১৫০০ সাল পর্যন্ত সময়কে অনেক সময় ইংরেজি সাহিত্যের "বন্ধ্যা যুগ" বলা হয়, কারণ এই সময়ে তার মতো প্রভাবশালী কোনো কবি জন্ম নেননি। তবে এ সময় জনপ্রিয় হয়েছিল:

  • ব্যালাড (Ballad): সাধারণ মানুষের মুখে মুখে গাওয়া কাহিনীমূলক গান।

  • মর্যালিটি প্লে (Morality Plays): মানুষের নৈতিকতা শিক্ষা দেওয়ার জন্য ছোট ছোট নাটক।


সংক্ষেপে: মিডল ইংলিশ পিরিয়ড হলো ইংরেজি ভাষার শৈশব, আর চসার হলেন সেই শিল্পী যিনি সেই ভাষাকে সাবালক করে তুলেছিলেন।

চসারের 'দ্য ক্যান্টারবেরি টেলস' (The Canterbury Tales) এবং সেই সময়ের সামাজিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করা মানেই মধ্যযুগের ইংল্যান্ডের একটি জীবন্ত ছবির মুখোমুখি হওয়া। চলুন, এই সময়ের প্রধান সামাজিক ঘটনা এবং কিছু অবিস্মরণীয় চরিত্র সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক:


১. প্রধান সামাজিক ঘটনা (চসারের যুগে প্রভাব)

চসার যখন লিখছিলেন, তখন ইংল্যান্ড এক বিশাল পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। এই তিনটি ঘটনা সেই সময়ের সমাজকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছিল:

  • ব্ল্যাক ডেথ (Black Death, ১৩৪৮-৪৯): এটি ছিল এক ভয়াবহ প্লেগ মহামারী, যাতে ইউরোপের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যায়। এর ফলে শ্রমিকের সংকট দেখা দেয় এবং সাধারণ কৃষকদের গুরুত্ব বেড়ে যায়, যা সামন্ততন্ত্রের (Feudalism) ভিত নাড়িয়ে দেয়।

  • কৃষক বিদ্রোহ (Peasants' Revolt, ১৩৮১): অতিরিক্ত কর এবং শোষণের বিরুদ্ধে সাধারণ কৃষকরা গর্জে ওঠে। যদিও বিদ্রোহ দমন করা হয়েছিল, এটি প্রমাণ করেছিল যে সাধারণ মানুষ এখন তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন।

  • হান্ড্রেড ইয়ার্স ওয়ার (Hundred Years' War): ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ। এর ফলে ইংরেজদের মধ্যে এক ধরণের জাতীয়তাবোধ তৈরি হয় এবং ফরাসি ভাষার বদলে ইংরেজি ভাষার ব্যবহার বাড়তে থাকে।


২. 'দ্য ক্যান্টারবেরি টেলস'-এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র

চসার তার এই বইতে মোট ২৯ জন তীর্থযাত্রীর বর্ণনা দিয়েছেন। প্রতিটি চরিত্র সমাজের একেকটি স্তরের প্রতিনিধিত্ব করে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ ৩টি চরিত্র হলো:

ক. দ্য নাইট (The Knight)

তিনি আদর্শ বীরত্বের প্রতীক। তিনি বিনয়ী, সাহসী এবং অনেকগুলো যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। চসার তাকে 'A worthy man' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি সামন্ততান্ত্রিক সমাজের উচ্চবর্গের প্রতিনিধি।

খ. দ্য ওয়াইফ অফ বাথ (The Wife of Bath)

মধ্যযুগীয় সাহিত্যে তিনি অন্যতম শক্তিশালী নারী চরিত্র। তিনি ৫ বার বিয়ে করেছেন এবং তীর্থযাত্রায় এসেছেন মূলত ভ্রমণের নেশায়। তিনি নারী স্বাধীনতা এবং পুরুষতান্ত্রিক সমাজের ওপর নারীদের আধিপত্য নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন।

গ. দ্য পারডনার (The Pardoner)

তিনি গির্জার দুর্নীতির প্রতীক। তিনি মানুষকে পাপমুক্ত করার ভণ্ডামি করে টাকা নিতেন। তার কাছে কিছু ভুয়া 'রিলিক' বা পবিত্র বস্তু ছিল যা দেখিয়ে তিনি সহজ-সরল মানুষকে ঠকাতেন।


৩. চসারের লেখার কৌশল ও ব্যঙ্গ (Satire)

চসার এই চরিত্রগুলোর মাধ্যমে তৎকালীন চার্চের দুর্নীতি এবং সমাজের ভণ্ডামিকে অত্যন্ত সূক্ষ্ম হাস্যরসের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। তিনি সরাসরি কাউকে আক্রমণ না করে বরং তাদের অভ্যাসের বর্ণনা দিয়ে পাঠকদের হাসাতেন, যা ছিল তার লিখনশৈলীর এক অনন্য বৈশিষ্ট্য।


মজার তথ্য: চসার মূল পরিকল্পনা করেছিলেন ১২০টি গল্প লেখার, কিন্তু মৃত্যুর আগে তিনি মাত্র ২৪টি গল্প শেষ করতে পেরেছিলেন।

চসারের 'দ্য ওয়াইফ অফ বাথ' (The Wife of Bath) চরিত্রটি মধ্যযুগীয় সাহিত্যের সবচেয়ে বৈপ্লবিক এবং আকর্ষণীয় চরিত্রগুলোর মধ্যে একটি। তার গল্পটি (Prologue and Tale) কেবল একটি কাহিনী নয়, বরং নারী স্বাধীনতা এবং ক্ষমতার এক জোরালো ঘোষণা।

চলুন, তার গল্পের মূল অংশ এবং সেই সময়ের নারীদের সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই:


১. দ্য ওয়াইফ অফ বাথ-এর গল্প (The Wife of Bath's Tale)

তার গল্পের মূল প্রশ্নটি ছিল— "নারীরা আসলে কী চায়?" (What do women most desire?)

  • কাহিনী সংক্ষেপ: রাজা আর্থারের দরবারের এক নাইট এক তরুণীকে লাঞ্ছিত করার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন। রানী তাকে এক বছরের সময় দেন এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার জন্য: "নারীরা সবচেয়ে বেশি কী চায়?"

  • রহস্যময়ী বৃদ্ধা: অনেক ঘোরার পর নাইট এক কদর্য বৃদ্ধার দেখা পান। বৃদ্ধা তাকে সঠিক উত্তরটি বলে দেন এই শর্তে যে, নাইট তাকে বিয়ে করবেন।

  • সঠিক উত্তর: উত্তরটি ছিল— 'Sovereignty' বা কর্তৃত্ব। অর্থাৎ নারীরা তাদের স্বামী বা প্রেমিকের ওপর সমান বা তার চেয়ে বেশি ক্ষমতা ও স্বাধীনতা চায়।

  • পরিণতি: অনিচ্ছা সত্ত্বেও নাইট বৃদ্ধাকে বিয়ে করেন। বাসর রাতে বৃদ্ধা তাকে জিজ্ঞাসা করেন— তিনি কি তাকে কুৎসিত কিন্তু বিশ্বস্ত স্ত্রী হিসেবে চান, নাকি সুন্দরী কিন্তু অবিশ্বস্ত স্ত্রী হিসেবে? নাইট উত্তর দেওয়ার দায়িত্ব স্ত্রীর ওপরেই ছেড়ে দেন। এই 'কর্তৃত্ব' পেয়ে খুশি হয়ে বৃদ্ধা এক সুন্দরী ও বিশ্বস্ত রমণীতে রূপান্তরিত হন।


২. মধ্যযুগে নারীদের সামাজিক অবস্থান

চসারের যুগে (১৪শ শতাব্দী) নারীদের জীবন ছিল সীমাবদ্ধ এবং পুরুষশাসিত। তবে কিছু পরিবর্তনও লক্ষ্য করা যাচ্ছিল:

  • আইনি ও সামাজিক সীমাবদ্ধতা: নারীদের নিজস্ব কোনো রাজনৈতিক অধিকার ছিল না। তারা হয় বাবার অধীনে থাকত, নয়তো স্বামীর। উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি পাওয়া ছিল অত্যন্ত কঠিন।

  • শিক্ষা: উচ্চবিত্ত পরিবারের নারীরা সামান্য শিক্ষা পেতেন, কিন্তু বেশিরভাগ নারীই ছিলেন অশিক্ষিত। তাদের মূল কাজ ছিল ঘরকন্না এবং সন্তান লালন-পালন।

  • দুইটি আদর্শ রূপ: সমাজ নারীকে হয় 'ভার্জিন মেরি' (পবিত্র ও আদর্শ) অথবা 'ইভ' (প্রলুব্ধকারী ও পাপের উৎস) হিসেবে দেখত।

  • বিয়ের গুরুত্ব: বিয়ে ছিল একটি অর্থনৈতিক চুক্তি। কিন্তু 'ওয়াইফ অফ বাথ'-এর মতো চরিত্ররা দেখিয়েছেন যে, বিয়ের মাধ্যমেও নারীরা কীভাবে অর্থনৈতিক এবং সামাজিক ক্ষমতা অর্জন করতে পারেন। তিনি পাঁচবার বিয়ে করেছিলেন এবং নিজের কাপড়ের ব্যবসার মাধ্যমে স্বাবলম্বী ছিলেন।


৩. চসারের দৃষ্টিভঙ্গি

চসার 'ওয়াইফ অফ বাথ'-এর মাধ্যমে তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজকে একটি আয়না দেখিয়েছেন। তিনি দেখিয়েছেন যে নারীরা কেবল আজ্ঞাবহ পুতুল নয়, বরং তাদের নিজস্ব ইচ্ছা, বুদ্ধি এবং আকাঙ্ক্ষা আছে।


সংক্ষেপে: চসারের এই গল্পটি প্রমাণ করে যে, মধ্যযুগ কেবল অন্ধকারের যুগ ছিল না, বরং সেখানেও নারী স্বাধীনতার বীজ রোপিত হচ্ছিল।

'দ্য মিলার'স টেল' (The Miller's Tale) হলো চসারের পুরো সংকলনের মধ্যে সবচেয়ে হাস্যকর, চপল এবং কিছুটা "অশ্লীল" কিন্তু বুদ্ধিমত্তায় ভরপুর একটি গল্প। এটি মূলত একটি 'ফ্যাব্লিও' (Fabliau)—যা মধ্যযুগের এক ধরণের ছোট হাস্যরসাত্মক গল্প, যেখানে শারীরিক কৌতুক এবং চতুরতাকে প্রাধান্য দেওয়া হতো।

এই গল্পটি শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন যে, চসার কেবল গম্ভীর বা আদর্শবাদী লেখক ছিলেন না, তিনি সাধারণ মানুষের স্থূল রসবোধকেও দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারতেন।


১. গল্পের মূল কাহিনী (The Plot)

গল্পটি আবর্তিত হয় জন নামে এক বৃদ্ধ কাঠুরে (Carpenter), তার সুন্দরী তরুণী স্ত্রী অ্যালিসন (Alisoun) এবং তাদের বাড়ির লজিং-এ থাকা চালাক ছাত্র নিকোলাসকে (Nicholas) নিয়ে।

  • নিকোলাসের ফন্দি: নিকোলাস এবং অ্যালিসন একে অপরকে পছন্দ করত। জন-কে ফাঁকি দেওয়ার জন্য নিকোলাস একটি ফন্দি আঁটে। সে জ্যোতিষবিদ্যার ভান করে জনকে বিশ্বাস করায় যে, পৃথিবীতে আবার এক বিশাল 'মহাপ্লাবন' (Noah's Flood) আসতে চলেছে।

  • উদ্ভট প্রস্তুতি: জনকে বাঁচানোর নাম করে নিকোলাস তাকে ছাদে তিনটি বড় গামলা (Tubs) ঝোলাতে বলে। জন যখন সেই গামলায় বসে ঘুমের ঘোরে প্লাবনের অপেক্ষা করছিল, তখন নিচে নিকোলাস আর অ্যালিসন সময় কাটাচ্ছিল।

  • অ্যাবসালনের প্রবেশ: এরই মধ্যে অ্যালিসনের আরেক প্রেমিক, চার্চের কেরানি অ্যাবসালন (Absolon), জানালার বাইরে এসে অ্যালিসনের কাছে একটি চুমু চায়। অ্যালিসন তাকে চরম অপমান করার জন্য জানালার বাইরে নিজের পশ্চাৎদেশ এগিয়ে দেয়।

  • শাস্তি ও চরম বিশৃঙ্খলা: অপমানিত অ্যাবসালন প্রতিশোধ নিতে একটি তপ্ত লোহার শিক নিয়ে ফিরে আসে। এবার নিকোলাস মজা করার জন্য জানালা দিয়ে একই কাজ করতে গেলে অ্যাবসালন তাকে সেই গরম লোহা দিয়ে ছ্যাঁকা দেয়। নিকোলাস যন্ত্রণায় চিৎকার করে ওঠে— "Water! Water!" * পরিণতি: ছাদে গামলায় বসে থাকা জন "জল জল" চিৎকার শুনে ভাবেন প্লাবন শুরু হয়ে গেছে। তিনি দড়ি কেটে নিচে পড়ে যান এবং হাত-পা ভেঙে বসেন। প্রতিবেশীরা এসে তাকেই পাগল মনে করে হাসাহাসি শুরু করে।


২. কেন এই গল্পটি গুরুত্বপূর্ণ?

  • সামাজিক ব্যঙ্গ: চসার এখানে নাইট-এর আদর্শিক এবং রোমান্টিক গল্পের ঠিক পরেই মিলারের এই স্থূল গল্পটি রেখেছেন। এটি উচ্চবিত্তের 'প্লেটোনিক প্রেম' এবং সাধারণ মানুষের 'শারীরিক প্রেম'-এর মধ্যকার বৈপরীত্য দেখায়।

  • চরিত্রায়ন: মিলার নিজে ছিলেন একজন কর্কশ, মদখোর এবং শক্তিশালী মানুষ। তার মুখ দিয়ে চসার এমন একটি গল্পই বলিয়েছেন যা তার চরিত্রের সাথে মানানসই।

  • তৎকালীন সমাজ: এটি দেখায় যে মধ্যযুগের মানুষ কেবল ধর্মকর্ম নিয়েই ব্যস্ত ছিল না, তাদের মধ্যেও লৌকিক রসিকতা এবং চতুরতার প্রচলন ছিল।


Read More (Index-)

1. ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস  

2. অ্যাংলো স্যাক্সন যুগ : ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাস 

3.  অ্যাংলো নরম্যান যুগ : ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাস

4.  মিডল ইংলিশ পিরিয়ড এবং চসারের যুগ

5. ওল্ড ইংলিশ বা অ্যাংলো-স্যাক্সন যুগ (৪৫০১০৬৬)

6.মিডল ইংলিশ বা মধ্যযুগ (১০৬৬১৫০০

7. জেফ্রি চসারের 'দ্য ক্যান্টারবেরি টেলস' (The Canterbury Tales)  

8. Sir Thomas Malory: Le Morte d'Arthur   

9. William Langland: Piers Plowman 

10. রেনেসাঁ বা নবজাগরণ যুগ (১৫০০১৬৬০

11. William Shakespeare: Hamlet, Macbeth, Romeo and Juliet  

12. Christopher Marlowe: Doctor Faustus   

13.Edmund Spenser: The Faerie Queene     

14. John Milton: Paradise Lost (প্যারাডাইস লস্ট)

15.নিও-ক্লাসিক্যাল যুগ (১৬৬০১৭৯৮

16. John Dryden: Absalom and Achitophel   

17. Alexander Pope: The Rape of the Lock 

18. Jonathan Swift: Gulliver's Travels (গালিভার্স ট্রাভেলস)   

19. Daniel Defoe: Robinson Crusoe  

20. রোমান্টিক যুগ (১৭৯৮১৮৩২) : আবেগপ্রকৃতি এবং কল্পনার জয়গান ছিল এই যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য 

21. William Wordsworth & S.T. Coleridge: Lyrical Ballads  :  বিষয়বস্তু আলোচনা  প্রাচ্য  পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব

22. John Keats: Ode to a Nightingale : বিষয়বস্তু আলোচনা  প্রাচ্য  পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব 

23. P.B. Shelley: Ode to the West Wind : বিষয়বস্তু আলোচনা  প্রাচ্য  পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব 

24. Jane Austen: Pride and Prejudice : বিষয়বস্তু আলোচনা  প্রাচ্য  পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব 

25. ভিক্টোরিয়ান যুগ (১৮৩২১৯০১শিল্প বিপ্লব এবং সামাজিক সমস্যার প্রতিফলন

26. Charles Dickens: David Copperfield, A Tale of Two Cities;

27. Lord Tennyson: In Memoriam: বিষয়বস্তু 

28. Robert Browning: My Last Duchess  বিষয়বস্তু

29. Thomas Hardy: Tess of the d'Urbervilles   বিষয়বস্তু 

30. আধুনিক যুগ (১৯০১১৯৩৯প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব এবং মানুষের বিচ্ছিন্নতাবোধ 

31. T.S. Eliot: The Waste Land (দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড)  বিষয়বস্তু 

32. Virginia Woolf: Mrs Dalloway: বিষয়বস্তু  

33. James Joyce: Ulysses  :বিষয়বস্তু 

34. George Bernard Shaw: Pygmalion: বিষয়বস্তু 

35. উত্তর-আধুনিক যুগ (১৯৩৯বর্তমানদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সাহিত্যে অনিশ্চয়তা 

36. Samuel Beckett: Waiting for Godot: বিষয়বস্তু 

37. George Orwell: 1984, Animal Farm: বিষয়বস্তু  

৩. মিলার বনাম নাইট

নাইট যখন তার গল্প শেষ করেন, তখন সবাই খুব প্রশংসা করছিল। কিন্তু মিলার মাতাল অবস্থায় মাঝপথে ঢুকে পড়ে বলেন যে তিনি নাইটের গল্পের "বদলা" (Quit) নেবেন। অর্থাৎ, তিনি দেখালেন যে জীবন কেবল বীরত্ব আর ত্যাগের নয়, জীবন অনেকটা বিশৃঙ্খল এবং মজারও।


একটি মজার পর্যবেক্ষণ: চসারের এই গল্পে দেখা যায় যে, শেষ পর্যন্ত কারোরই লাভ হয় না। জন আঘাত পায়, নিকোলাস পুড়ে যায়, আর অ্যাবসালন অপমানিত হয়। একমাত্র অ্যালিসনই কোনো শাস্তি ছাড়া পার পেয়ে যায়!

পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।। ভালো লাগলে  অবশ্যই লাইক শেয়ার করুন।।লেখক : আব্দুল মুসরেফ খাঁন (কনকপুর)পাঁশকুড়া : পূর্বমেদিনীপুর : email :lib.pbc@gmail.com

Post a Comment

0 Comments