Christopher Marlowe: Doctor Faustus
ক্রিস্টোফার মার্লোর কালজয়ী নাটক 'ডক্টর ফস্টাস' (Doctor Faustus) মূলত মানুষের অদম্য জ্ঞানপিপাসা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং তার পরিণতির এক ট্র্যাজিক গল্প। নিচে এর বিষয়বস্তু সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:
মূল কাহিনী সংক্ষেপ
জার্মানির উইটেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অত্যন্ত মেধাবী পণ্ডিত হলেন ডক্টর ফস্টাস। তিনি দর্শন, চিকিৎসাশাস্ত্র, আইন এবং ধর্মতত্ত্ব—সব বিষয়েই পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। কিন্তু সাধারণ বিদ্যায় সন্তুষ্ট হতে না পেরে তিনি অশুভ এবং নিষিদ্ধ কালো জাদুর (Black Magic) প্রতি আকৃষ্ট হন।
প্রধান ঘটনাক্রম
শয়তানের সাথে চুক্তি: ফস্টাস তার আত্মার বিনিময়ে নরকের রাজা লুসিফারের অনুচর মেফিস্টোফিলিসকে (Mephistophilis) তলব করেন। তাদের মধ্যে চুক্তি হয় যে, মেফিস্টোফিলিস ফস্টাসকে ২৪ বছর সেবা করবে এবং ফস্টাস যা চাইবেন তা-ই পূরণ করবে। বিনিময়ে ২৪ বছর পর ফস্টাস তার আত্মা শয়তানকে সঁপে দেবেন।
বিবেকের দহন: নাটকের শুরু থেকেই ফস্টাসের মনে দ্বন্দ্ব চলে। তার একপাশে থাকে 'শুভ দেবদূত' (Good Angel) যে তাকে অনুতাপ করতে বলে, আর অন্যপাশে থাকে 'অশুভ দেবদূত' (Evil Angel) যে তাকে জাদুর পথে প্ররোচিত করে। কিন্তু ফস্টাস বারবার ক্ষমতার লোভে অশুভ পথই বেছে নেন।
ক্ষমতার অপব্যবহার: অলৌকিক ক্ষমতা পাওয়ার পর ফস্টাস সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেন। তিনি পোপকে নিয়ে মজা করেন, মৃত বীর আলেকজান্ডারকে পুনরুজ্জীবিত করার ভান করেন এবং হেলেন অফ ট্রয়-এর সৌন্দর্য উপভোগ করেন। কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যায়, তিনি তার এই বিপুল ক্ষমতা কোনো মহৎ কাজে ব্যয় না করে কেবল সস্তা জাদুকরী প্রদর্শনীতেই নষ্ট করেন।
চূড়ান্ত পরিণতি: চব্বিশ বছর শেষ হয়ে এলে ফস্টাস চরম আতঙ্কে ভোগেন। তিনি বুঝতে পারেন তিনি ভুল করেছেন এবং ঈশ্বরের কাছে ক্ষমা চাইতে চান। কিন্তু মেফিস্টোফিলিস তাকে ভয় দেখায়। শেষ রাতে, ঘড়ির কাঁটা বারোটা ছোঁয়ার সাথে সাথে শয়তানের দল এসে ফস্টাসের আত্মাকে নরকে নিয়ে যায়।
নাটকের মূল শিক্ষা (Themes)
১. অত্যধিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা (Over-ambition): ফস্টাস মানুষের সীমানা ছাড়িয়ে দেবতার মতো ক্ষমতা চেয়েছিলেন, যা তার ধ্বংসের কারণ হয়। ২. পাপ ও অনুশোচনা: নাটকটি দেখায় যে মানুষ চাইলেই অনুতপ্ত হতে পারে, কিন্তু ফস্টাসের অহংকার তাকে বারবার বাধা দিয়েছে। ৩. রেনেসাঁ ও মধ্যযুগীয় চিন্তা: এটি এমন এক সময়ের গল্প যখন মানুষ নতুন জ্ঞান খুঁজছিল (রেনেসাঁ), কিন্তু একইসাথে ধর্মের কঠিন নিয়মও (মধ্যযুগ) বিদ্যমান ছিল।
"Cut is the branch that might have grown full straight..." — নাটকের শেষে কোরাস এই উক্তির মাধ্যমে ফস্টাসের অপচয় হওয়া মেধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে।
'ডক্টর ফস্টাস' নাটকের চরিত্রগুলো এবং কিছু অমর উক্তি (Quotes) সাহিত্য জগতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে আপনার জন্য বিস্তারিত দেওয়া হলো:
১. গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রসমূহ
২. বিখ্যাত কিছু উদ্ধৃতি (Famous Quotes)
এই নাটকের কিছু লাইন ইংরেজি সাহিত্যে অমর হয়ে আছে:
হেলেন অফ ট্রয়-কে দেখে ফস্টাসের উক্তি:
"Was this the face that launch'd a thousand ships, / And burnt the topless towers of Ilium?"
(এটিই কি সেই চেহারা যার জন্য হাজারটা জাহাজ যুদ্ধে নেমেছিল এবং ট্রয় নগরী পুড়ে ছাই হয়েছিল?)নরক সম্পর্কে মেফিস্টোফিলিসের ধারণা:
"Hell is just a place, not a state of mind. Why, this is hell, nor am I out of it."
(মেফিস্টোফিলিস বোঝাতে চেয়েছেন যে ঈশ্বরের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত হওয়াই আসল নরক, আর সে সব সময় সেই নরকের যন্ত্রণার ভেতরেই থাকে।)শেষ মুহূর্তে ফস্টাসের আকুতি:
"See, see where Christ's blood streams in the firmament! / One drop would save my soul, half a drop: ah my Christ!"
(মৃত্যুর ঠিক আগে ফস্টাস আকাশে যিশুর রক্তের ধারা দেখতে পান এবং বুঝতে পারেন মাত্র এক ফোঁটা রক্তই তাকে বাঁচাতে পারত, কিন্তু তখন আর ফেরার পথ ছিল না।)
৩. শিক্ষণীয় দিক
মার্লো এই নাটকের মাধ্যমে দেখিয়েছেন যে, অসীম জ্ঞান বা ক্ষমতার চেয়েও বড় হলো নৈতিকতা। ফস্টাস ক্ষমতার লোভে পড়ে তার মহৎ হওয়ার সুযোগ হারান এবং শেষ পর্যন্ত চরম একাকীত্বের মধ্য দিয়ে বিদায় নেন।
'ডক্টর ফস্টাস' কেন একজন 'ট্র্যাজিক হিরো' (Tragic Hero), তা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো। এই ধারণাটি মূলত গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের ট্র্যাজেডি তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
ট্র্যাজিক হিরো হিসেবে ডক্টর ফস্টাস: চরিত্র বিশ্লেষণ
একটি ট্র্যাজিক হিরোর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো ফস্টাসের মধ্যে কীভাবে ফুটে উঠেছে, তা নিচে দেওয়া হলো:
১. উচ্চ বংশমর্যাদা বা অসাধারণ মেধা (High Stature/Great Talent)
ট্র্যাজিক হিরোকে সাধারণত সমাজের উঁচুতলার কেউ হতে হয়। ফস্টাস কোনো রাজা না হলেও তিনি একজন 'Intellectual Hero'। তিনি জার্মানির সবচেয়ে মেধাবী পণ্ডিত ছিলেন। তার এই অসামান্য জ্ঞানই তাকে সাধারণ মানুষের ঊর্ধ্বে নিয়ে গিয়েছিল।
২. হ্যামারশিয়া বা চারিত্রিক ত্রুটি (Hamartia / Fatal Flaw)
অ্যারিস্টটলের মতে, প্রতিটি ট্র্যাজিক হিরোর একটি প্রধান ভুল বা ত্রুটি থাকে। ফস্টাসের ক্ষেত্রে সেই ত্রুটি হলো 'Pride' (অহংকার) এবং 'Over-ambition' (অত্যধিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা)। তিনি কেবল মানুষ হয়ে থাকতে চাননি, বরং দেবতার মতো ক্ষমতা চেয়েছিলেন। এই ইচ্ছাই তাকে নিষিদ্ধ কালো জাদুর পথে নিয়ে যায়।
৩. হিউব্রিস বা চরম ঔদ্ধত্য (Hubris)
ফস্টাস মনে করেছিলেন তিনি ঈশ্বর বা প্রকৃতির নিয়মকেও হার মানাতে পারবেন। মেফিস্টোফিলিস যখন তাকে নরকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন, ফস্টাস তখন তাকে উপহাস করে বলেছিলেন— "I think hell’s a fable" (আমি মনে করি নরক একটা রূপকথা)। এই চরম ঔদ্ধত্যই তার পতনের পথ তৈরি করে।
৪. পতন ও চরম বিপর্যয় (Peripeteia / Reversal of Fortune)
নাটকের শুরুতে ফস্টাস ছিলেন ক্ষমতার শিখরে, কিন্তু নাটকের শেষে তিনি হয়ে পড়েন এক অসহায় সত্তা। ২৪ বছর শেষে তিনি যখন বুঝতে পারেন যে তার ধ্বংস অনিবার্য, তখন তার সেই দম্ভ ধুলোয় মিশে যায়।
৫. উপলব্ধি ও অনুশোচনা (Anagnorisis / Recognition)
মৃত্যুর ঠিক আগে ফস্টাস তার ভুল বুঝতে পারেন। তিনি আর্তনাদ করে ওঠেন:
"Ugly hell, gape not! come not, Lucifer! / I'll burn my books!—ah, Mephistophilis!" এখানে তার 'Anagnorisis' বা সত্যের উপলব্ধি ঘটে, কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
উপসংহার
ফস্টাস কেবল একজন পাপী নন, বরং তিনি একজন এমন মানুষ যার মধ্যে অসীম সম্ভাবনা ছিল, কিন্তু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে তা নষ্ট হয়ে যায়। এই মেধার অপচয়ই দর্শকদের মনে করুণা (Pity) এবং ভয় (Fear) জাগিয়ে তোলে, যা একটি সার্থক ট্র্যাজেডির মূল লক্ষ্য।
অবশ্যই! ক্রিস্টোফার মার্লোর অন্যতম বিতর্কিত এবং শক্তিশালী নাটক হলো 'দ্য জিউ অফ মাল্টা' (The Jew of Malta)। এটি একটি 'রিভেঞ্জ ট্র্যাজেডি' (Revenge Tragedy) বা প্রতিশোধের নাটক।
নিচে নাটকটির মূল বিষয়বস্তু ও বৈশিষ্ট্যগুলো আলোচনা করা হলো:
১. মূল কাহিনী সংক্ষেপ (The Plot)
নাটকটির প্রধান চরিত্র হলো বারাবাস (Barabas), যিনি মাল্টা দ্বীপের একজন অত্যন্ত ধনী ইহুদি বণিক।
সংঘাতের শুরু: মাল্টার গভর্নর ফার্নিজ (Ferneze) তুর্কিদের কর দেওয়ার জন্য শহরের সব ইহুদিদের সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করার ঘোষণা দেন। বারাবাস প্রতিবাদ করলে গভর্নর তার সমস্ত সম্পত্তি কেড়ে নেন এবং তার বাড়িটিকে একটি কনভেন্টে (গির্জা) রূপান্তরিত করেন।
প্রতিশোধের নেশা: নিজের সম্পদ ও মর্যাদা হারিয়ে বারাবাস ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি একের পর এক নিষ্ঠুর ষড়যন্ত্র শুরু করেন। তিনি গভর্নরের ছেলে এবং তার বন্ধুর মধ্যে দ্বন্দ্ব লাগিয়ে তাদের দুজনকে একে অপরের হাতে মৃত্যু ঘটান।
নিষ্ঠুরতার চরম সীমা: বারাবাস এতটাই প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে ওঠেন যে, তিনি নিজের মেয়ে আবিগেইলকেও (Abigail) বিষ প্রয়োগে হত্যা করেন কারণ সে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হয়েছিল। এরপর তিনি পুরো শহর এবং তুর্কি সেনাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেন।
পরিণতি: নাটকের শেষে বারাবাস নিজের তৈরি করা একটি ফুটন্ত তেলের কড়াইয়ের ফাঁদে পড়ে মারা যান। মৃত্যুর আগে তিনি তার সব অপরাধের কথা স্বীকার করেন কিন্তু কোনো অনুশোচনা দেখান না।
২. প্রধান চরিত্রসমূহ
৩. নাটকের মূল থিম বা বিষয়বস্তু
ধর্মীয় ভণ্ডামি (Religious Hypocrisy): মার্লো এই নাটকে দেখিয়েছেন যে খ্রিস্টান, ইহুদি এবং মুসলিম—সব পক্ষই ধর্মের আড়ালে আসলে ক্ষমতা ও অর্থের লোভী। গভর্নরের অন্যায়ভাবে সম্পত্তি কেড়ে নেওয়া ছিল এই ভণ্ডামির বড় উদাহরণ।
ম্যাকিয়াভেলিবাদ (Machiavellianism): নাটকের শুরুতে 'ম্যাকিয়াভেলি' নিজে মঞ্চে এসে ভূমিকা প্রদান করেন। বারাবাস এই দর্শনের প্রতীক—যে মনে করে লক্ষ্য অর্জনের জন্য যেকোনো অনৈতিক পথ অবলম্বন করা বৈধ।
প্রতিশোধ (Revenge): অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে বারাবাস নিজেই একজন দানবে পরিণত হন। এটি দেখায় যে প্রতিশোধ কীভাবে মানুষের মনুষ্যত্ব কেড়ে নেয়।
Read More (Index-)
2. অ্যাংলো স্যাক্সন যুগ : ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাস 
3. অ্যাংলো নরম্যান যুগ : ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাস
4. মিডল ইংলিশ পিরিয়ড এবং চসারের যুগ
5. ওল্ড ইংলিশ বা অ্যাংলো-স্যাক্সন যুগ (৪৫০–১০৬৬)
6.মিডল ইংলিশ বা মধ্যযুগ (১০৬৬–১৫০০) 
7. জেফ্রি চসারের 'দ্য ক্যান্টারবেরি টেলস' (The Canterbury Tales) 
8. Sir Thomas Malory: Le Morte d'Arthur 
9. William Langland: Piers Plowman 
10. রেনেসাঁ বা নবজাগরণ যুগ (১৫০০–১৬৬০) 
11. William Shakespeare: Hamlet, Macbeth, Romeo and Juliet 
12. Christopher Marlowe: Doctor Faustus 
13.Edmund Spenser: The Faerie Queene 
14. John Milton: Paradise Lost (প্যারাডাইস লস্ট)
15.নিও-ক্লাসিক্যাল যুগ (১৬৬০–১৭৯৮) 
16. John Dryden: Absalom and Achitophel 
17. Alexander Pope: The Rape of the Lock 
18. Jonathan Swift: Gulliver's Travels (গালিভার্স ট্রাভেলস) 
19. Daniel Defoe: Robinson Crusoe 
20. রোমান্টিক যুগ (১৭৯৮–১৮৩২) : আবেগ, প্রকৃতি এবং কল্পনার জয়গান ছিল এই যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য 
21. William Wordsworth & S.T. Coleridge: Lyrical Ballads : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব: 
22. John Keats: Ode to a Nightingale : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব 
23. P.B. Shelley: Ode to the West Wind : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব 
24. Jane Austen: Pride and Prejudice : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব 
25. ভিক্টোরিয়ান যুগ (১৮৩২–১৯০১) শিল্প বিপ্লব এবং সামাজিক সমস্যার প্রতিফলন
26. Charles Dickens: David Copperfield, A Tale of Two Cities;
27. Lord Tennyson: In Memoriam: বিষয়বস্তু 
28. Robert Browning: My Last Duchess বিষয়বস্তু
29. Thomas Hardy: Tess of the d'Urbervilles বিষয়বস্তু 
30. আধুনিক যুগ (১৯০১–১৯৩৯) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব এবং মানুষের বিচ্ছিন্নতাবোধ 
31. T.S. Eliot: The Waste Land (দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড) বিষয়বস্তু 
32. Virginia Woolf: Mrs Dalloway: বিষয়বস্তু 
33. James Joyce: Ulysses :বিষয়বস্তু 
34. George Bernard Shaw: Pygmalion: বিষয়বস্তু 
35. উত্তর-আধুনিক যুগ (১৯৩৯–বর্তমান) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সাহিত্যে অনিশ্চয়তা 
৪. শেক্সপিয়ারের সাথে তুলনা
অনেকেই এই নাটকের বারাবাস চরিত্রের সাথে উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের 'মার্চেন্ট অফ ভেনিস'-এর শাইলক (Shylock) চরিত্রের তুলনা করেন। তবে শাইলকের চরিত্রে মানবিক দিক কিছুটা থাকলেও বারাবাস চরিত্রটি অনেক বেশি নিষ্ঠুর এবং ব্যঙ্গাত্মক।
মজার তথ্য: এই নাটকের মাধ্যমেই মার্লো প্রথম দেখান যে একজন 'ভিলেন' কীভাবে একটি নাটকের নায়ক (Protagonist) হতে পারে।
পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।। ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক শেয়ার করুন।।লেখক : আব্দুল মুসরেফ খাঁন (কনকপুর)পাঁশকুড়া : পূর্বমেদিনীপুর : email :lib.pbc@gmail.com
.png)
0 Comments