জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৮ | এস এইচ ভি বাৎসায়ন | হিন্দি | কিতনি নাও মে কিতনি বার |
১৯৭৭ সালে শিবরাম করন্থ কন্নড় ভাষায় 'মুকাজ্জিয়া কনসুগলু'-এর জন্য জ্ঞানপীঠ পাওয়ার ঠিক পরের বছরই, অর্থাৎ ১৯৭৮ সালে, হিন্দি সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি ও লেখক এস. এইচ. ভি. বাৎসায়ন (S. H. V. Vatsyayan), যিনি 'অজ্ঞেয়' (Agyeya) ছদ্মনামেই বেশি পরিচিত, এই সম্মান লাভ করেন।
তাঁর সেই পুরস্কারপ্রাপ্ত কাব্যগ্রন্থটির নাম ছিল 'কিতনি নাও মে কিতনি বার' (Kitni Navon Mein Kitni Baar)।
কিতনি নাও মে কিতনি বার (কত নৌকায় কতবার)
এই কাব্যগ্রন্থটি হিন্দি সাহিত্যের 'নয়ী কবিতা' (New Poetry) আন্দোলনের একটি মাইলফলক। এর কিছু বিশেষ দিক হলো:
অস্তিত্ববাদ ও সত্যের সন্ধান: এই কাব্যগ্রন্থে 'অজ্ঞেয়' মানুষের অন্তহীন সত্য সন্ধানের কথা বলেছেন। তিনি দেখিয়েছেন, মানুষ সত্যের খোঁজে বারবার বিভিন্ন 'নৌকায়' (বা মাধ্যমে) চড়ে, কিন্তু প্রকৃত সত্যের দেখা পাওয়া খুব কঠিন।
ব্যক্তি বনাম সমাজ: করন্থের মতো 'অজ্ঞেয়'ও তাঁর লেখায় ব্যক্তির স্বাধীনতা এবং চেতনার ওপর খুব জোর দিতেন। তাঁর কবিতায় আধুনিক মানুষের একাকীত্ব এবং আধ্যাত্মিক সংকটের এক গভীর প্রতিচ্ছবি পাওয়া যায়।
নামের সার্থকতা: বইটির নামই একটি দার্শনিক প্রশ্ন—জীবনভর আমরা কত অভিজ্ঞতা এবং কত পথে চলি, অথচ গন্তব্য বা পরম সত্য কি আদৌ পৌঁছাতে পারি?
দুই লেখকের মধ্যে একটি চমৎকার মিল:
শিবরাম করন্থ এবং 'অজ্ঞেয়'—উভয়েই ছিলেন অত্যন্ত আধুনিক এবং যুক্তিবাদী।
করন্থ কন্নড় সাহিত্যে যেমন মানুষের প্রবৃত্তি ও ইতিহাসকে নতুন আলোয় দেখেছেন।
অজ্ঞেয় হিন্দি কবিতায় পশ্চিমা দর্শন এবং ভারতীয় ঐতিহ্যের এক অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন।
'কিতনি নাও মে কিতনি বার' (Kitni Navon Mein Kitni Baar) হিন্দি সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। সচ্চিদানন্দ হিরানন্দ বাৎসায়ন 'অজ্ঞেয়' (Agyeya)-এর এই সৃষ্টি ১৯৭৮ সালে তাঁকে জ্ঞানপীঠ পুরস্কার এনে দেয়।
বইটির নামটির মধ্যেই একটি গভীর দর্শন লুকিয়ে আছে, যার অর্থ হলো— "কত নৌকায় কতবার"। নিচে এর মূল ভাবধারা ও বৈশিষ্ট্যগুলো সংক্ষেপে দেওয়া হলো:
১. মূল দর্শন: সত্যের সন্ধান
এই কাব্যের মূল বিষয়বস্তু হলো মানুষের সত্যের অন্বেষণ। কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, মানুষ তার জীবনে সত্য বা পরম জ্ঞান লাভের আশায় বারবার বিভিন্ন 'নৌকায়' (অর্থাৎ বিভিন্ন পথ, মতাদর্শ বা অভিজ্ঞতায়) আরোহণ করে। কিন্তু প্রকৃত সত্য সবসময়ই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়।
২. কবিতার একটি বিখ্যাত অংশ (ভাবানুবাদ)
বইটির নাম-কবিতার একটি অংশ পাঠকদের খুব ভাবিয়ে তোলে:
"কত নৌকায় কতবার / আমি বসেছি / সত্যের সন্ধানে / অথবা কেবল ভ্রমণের নেশায়..."
কবি এখানে বলতে চেয়েছেন যে, আমরা বাইরের জগতে অনেক ঘুরে বেড়াই, অনেক জ্ঞান অর্জন করি, কিন্তু নিজের ভেতরের যে 'আলো' বা 'সত্য', তা অনেক সময় অজানাই থেকে যায়।
৩. কাব্যশৈলী ও বৈশিষ্ট্য
নয়ী কবিতা (New Poetry): 'অজ্ঞেয়' ছিলেন হিন্দি সাহিত্যে 'নয়ী কবিতা' আন্দোলনের পথিকৃৎ। তাঁর এই গ্রন্থে ছন্দের চেয়ে শব্দের গভীরতা এবং আধুনিক মানুষের মনস্তাত্ত্বিক জটিলতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ব্যক্তিবাদ: শিবরাম করন্থের মতো 'অজ্ঞেয়'ও মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং চেতনার ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁর কাছে সমাজ বড় নয়, বরং ব্যক্তির নিজের অভিজ্ঞতা এবং উপলব্ধিই আসল।
আধুনিকতা ও একাকীত্ব: এই কাব্যগ্রন্থে আধুনিক মানুষের নিঃসঙ্গতা, সংশয় এবং জীবনের অনিশ্চয়তার চিত্র ফুটে উঠেছে।
লেখক 'অজ্ঞেয়' সম্পর্কে কিছু তথ্য:
ছদ্মনাম: তাঁর আসল নাম এস. এইচ. ভি. বাৎসায়ন হলেও তিনি 'অজ্ঞেয়' (যাকে জানা যায় না) নামেই লিখতেন।
বিপ্লবী জীবন: তিনি তরুণ বয়সে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন এবং জেলও খেটেছিলেন।
অন্যান্য কাজ: তাঁর উপন্যাস 'শেখর: এক জীবনী' (Shekhar: Ek Jivani) হিন্দি সাহিত্যের একটি মাস্টারপিস।
শিবরাম করন্থ (১৯৭৭) এবং 'অজ্ঞেয়' (১৯৭৮) পরপর দুই বছর জ্ঞানপীঠ পেয়েছিলেন। মজার ব্যাপার হলো, দুজনেই ছিলেন প্রচণ্ড যুক্তিবাদী এবং স্বাধীনচেতা। করন্থ যেখানে কন্নড় গদ্যে বিপ্লব এনেছিলেন, 'অজ্ঞেয়' হিন্দি কবিতায় আধুনিকতার ছোঁয়া দিয়েছিলেন।
হিন্দি সাহিত্যের ইতিহাসে সচ্চিদানন্দ হিরানন্দ বাৎসায়ন 'অজ্ঞেয়' (S.H.V. Agyeya) ছিলেন এক প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব। ১৯১১ সালে উত্তরপ্রদেশের কুশীনগরে তাঁর জন্ম। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক এবং একজন নির্ভীক স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন।
তাঁর জীবন ও সাহিত্যকৃতি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
১. 'অজ্ঞেয়' ছদ্মনামের রহস্য
তাঁর এই ছদ্মনামটি দিয়েছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক প্রেমচন্দ এবং জৈনেন্দ্র কুমার। যখন তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হয়ে জেলবন্দি ছিলেন, তখন তাঁর লেখা গল্পগুলো নাম ছাড়াই পত্রিকায় পাঠানো হতো। সেখান থেকেই তাঁর নাম হয়ে যায় 'অজ্ঞেয়' (যাকে জানা যায় না)।
২. আধুনিক হিন্দি সাহিত্যের পথপ্রদর্শক
তিনি হিন্দি কবিতায় 'প্রয়োগবাদ' (Experimentalism) এবং 'নয়ী কবিতা' (New Poetry) আন্দোলনের জনক।
তার সপ্তক (Tar Saptak): ১৯৪৩ সালে তিনি সাতজন কবির কবিতা নিয়ে এই সংকলনটি সম্পাদনা করেন, যা হিন্দি কবিতার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।
৩. শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম
৪. বৈচিত্র্যময় জীবন
বিপ্লবী জীবন: ভগৎ সিং-এর 'হিন্দুস্তান সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশন' (HSRA)-এর সাথে যুক্ত ছিলেন। দিল্লির ভাইসরয় ট্রেন উড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে লড়েছিলেন।
সাংবাদিকতা: 'দিনমান' (Dinaman) এবং 'নভভারত টাইমস'-এর মতো বিখ্যাত পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে তিনি হিন্দি সাংবাদিকতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন।
৫. দর্শন ও চিন্তাধারা
শিবরাম করন্থের মতো 'অজ্ঞেয়'ও ছিলেন প্রচণ্ড ব্যক্তিবাদী। তিনি মনে করতেন, সমাজ বা দলের ভিড়ে ব্যক্তির নিজস্ব সত্তা যেন হারিয়ে না যায়। তাঁর লেখায় একাকীত্ব, সংগ্রাম এবং মানুষের অন্তরের গহীন রহস্য বারবার উঠে এসেছে।
'অজ্ঞেয়' এবং কে. শিবরাম করন্থ—দুজনেই ছিলেন তাঁদের নিজ নিজ ভাষার (হিন্দি ও কন্নড়) আধুনিকতার রূপকার।
'অজ্ঞেয়' এবং কে. শিবরাম করন্থ—এই দুই ব্যক্তিত্ব কেবল লেখক ছিলেন না, তাঁরা ছিলেন নিজ নিজ সাহিত্যের 'আধুনিকতার আলোকবর্তিকা'।
যদিও একজন কর্ণাটকের মাটির কাছাকাছি জীবন নিয়ে লিখেছেন আর অন্যজন হিন্দি কবিতায় বৌদ্ধিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব এনেছেন, তাঁদের মধ্যে অদ্ভুত কিছু মিল লক্ষ করা যায়:
১. ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ (Individualism)
দুজনেই মনে করতেন, সমাজ বা গোষ্ঠীর ভিড়ে একজন ব্যক্তির নিজস্ব সত্তা বা 'Self' যেন হারিয়ে না যায়।
করন্থ: তাঁর 'মুকাজ্জি' চরিত্রের মাধ্যমে দেখিয়েছেন কীভাবে একজন ব্যক্তি সমাজের হাজার বছরের নিয়মকে অস্বীকার করে নিজের প্রজ্ঞা দিয়ে সত্যকে দেখতে পারে।
অজ্ঞেয়: তাঁর কবিতায় এবং 'শেখর: এক জীবনী' উপন্যাসে ব্যক্তির স্বাধীনতা এবং তার অন্তরের একাকীত্বকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
২. যুক্তিবাদ ও প্রথা ভাঙার সাহস
তাঁরা দুজনেই অন্ধবিশ্বাসের ঊর্ধ্বে গিয়ে জীবনকে দেখতে চেয়েছিলেন।
বিদ্রোহী সত্তা: করন্থ জরুরি অবস্থার প্রতিবাদে পদ্মভূষণ ত্যাগ করেছিলেন। অন্যদিকে, 'অজ্ঞেয়' ব্রিটিশ আমলে বিপ্লবী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে জেল খেটেছিলেন।
আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি: দুজনেই তাঁদের সাহিত্যে যৌনতা, ধর্ম এবং মৃত্যুকে কোনো ট্যাবু ছাড়াই ব্যবচ্ছেদ করেছেন।
৩. বহুমুখী প্রতিভা (Polymaths)
তাঁরা কেবল ডেস্কে বসে লেখালেখি করেননি, জীবনের নানা স্বাদ নিয়েছেন:
শিবরাম করন্থ: লেখক, যক্ষগণ শিল্পী, পরিবেশবিদ এবং সমাজ সংস্কারক।
অজ্ঞেয়: কবি, সাংবাদিক, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক এবং তীক্ষ্ণ ধীসম্পন্ন সম্পাদক।
পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।। ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক শেয়ার করুন।।লেখক : আব্দুল মুসরেফ খাঁন email :lib.pbc@gmail.com
- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭০ - বিশ্বনাথ সত্যনারায়ণ - তেলুগু - রামায়ণ কল্পবৃক্ষমু

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭১ -বিষ্ণু দে -বাংলা- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত
- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭২ -রামধারী সিং 'দিনকর' - হিন্দি - উর্বশী
- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭৩- ডি আর বেন্দ্রে এবং গোপীনাথ মোহান্তি - কন্নড়/ওড়িয়া - নাকুতান্তি / মাটিমাতাল

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭৪ - বিষ্ণু সখারাম খান্দেকর - মারাঠি -যযাতি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭৫ - পি ভি আকিলান - তামিল - চিত্রাপ্পাবাই

- মালয়ালম কবি জি শঙ্কর কুরুপ

- কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'গণদেবতা'-

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার যৌথভাবে দুজন সাহিত্যিককে প্রদান করা হয়েছিল—কন্নড় কবি কে. ভি. পুত্তাপ্পা (কুভেম্পু) এবং গুজরাতি কবি উমাশঙ্কর যোশী।

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৬৮ - সুমিত্রানন্দন পন্ত - হিন্দি -চিদাম্বরা

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৬৯ - ফিরাক গোরখপুরী - উর্দু - গুল-এ-নগমা

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭০ - বিশ্বনাথ সত্যনারায়ণ - তেলুগু - রামায়ণ কল্পবৃক্ষমু

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭৬ - আশাপূর্ণা দেবী- বাংলা - প্রথম প্রতিশ্রুতি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৭ | কে শিবরাম করন্থ | কন্নড় | মুকাজ্জিয়া কনসুগলু |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৮ | এস এইচ ভি বাৎসায়ন | হিন্দি | কিতনি নাও মে কিতনি বার |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৯ | বীরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্য | অসমীয়া | মৃত্যুঞ্জয় |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮০ | এস কে পোট্টেক্কাট | মালয়ালম | ওরু দেশথিন্তে কথা |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮১ | অমৃতা প্রীতম | পাঞ্জাবি | কাগজ তে ক্যানভাস |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮২ | মহাদেবী বর্মা | হিন্দি | সার্বিক অবদান (যামা - বিশেষ উল্লেখে) |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯১ | সুভাষ মুখোপাধ্যায় | বাংলা

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯৬ | মহাশ্বেতা দেবী | বাংলা

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯৯ | নির্মল ভার্মা এবং গুরুদয়াল সিং | হিন্দি/পাঞ্জাবি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০০৫ | কুনওয়ার নারায়ণ | হিন্দি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১০ | চন্দ্রশেখর কাম্বার | কন্নড়

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৬ | শঙ্খ ঘোষ | বাংলা

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৮ | অমিতাভ ঘোষ | ইংরেজি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৯ | আক্কিথাম নাম্বুথিরি | মালয়ালম

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২১ | নীলমণি ফুকন | অসমীয়া

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২২ | দামোদর মৌজো | কোঙ্কানি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২৩ | গুলজার এবং জগদ্গুরু রামভদ্রাচার্য | উর্দু/সংস্কৃত

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২৪ | বিনোদ কুমার শুক্ল | হিন্দি

পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।। ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক শেয়ার করুন।।লেখক : আব্দুল মুসরেফ খাঁন email :lib.pbc@gmail.com
- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭০ - বিশ্বনাথ সত্যনারায়ণ - তেলুগু - রামায়ণ কল্পবৃক্ষমু

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭১ -বিষ্ণু দে -বাংলা- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত
- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭২ -রামধারী সিং 'দিনকর' - হিন্দি - উর্বশী
- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭৩- ডি আর বেন্দ্রে এবং গোপীনাথ মোহান্তি - কন্নড়/ওড়িয়া - নাকুতান্তি / মাটিমাতাল

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭৪ - বিষ্ণু সখারাম খান্দেকর - মারাঠি -যযাতি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭৫ - পি ভি আকিলান - তামিল - চিত্রাপ্পাবাই

- মালয়ালম কবি জি শঙ্কর কুরুপ

- কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'গণদেবতা'-

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার যৌথভাবে দুজন সাহিত্যিককে প্রদান করা হয়েছিল—কন্নড় কবি কে. ভি. পুত্তাপ্পা (কুভেম্পু) এবং গুজরাতি কবি উমাশঙ্কর যোশী।

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৬৮ - সুমিত্রানন্দন পন্ত - হিন্দি -চিদাম্বরা

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৬৯ - ফিরাক গোরখপুরী - উর্দু - গুল-এ-নগমা

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭০ - বিশ্বনাথ সত্যনারায়ণ - তেলুগু - রামায়ণ কল্পবৃক্ষমু

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭৬ - আশাপূর্ণা দেবী- বাংলা - প্রথম প্রতিশ্রুতি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৭ | কে শিবরাম করন্থ | কন্নড় | মুকাজ্জিয়া কনসুগলু |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৮ | এস এইচ ভি বাৎসায়ন | হিন্দি | কিতনি নাও মে কিতনি বার |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৯ | বীরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্য | অসমীয়া | মৃত্যুঞ্জয় |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮০ | এস কে পোট্টেক্কাট | মালয়ালম | ওরু দেশথিন্তে কথা |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮১ | অমৃতা প্রীতম | পাঞ্জাবি | কাগজ তে ক্যানভাস |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮২ | মহাদেবী বর্মা | হিন্দি | সার্বিক অবদান (যামা - বিশেষ উল্লেখে) |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯১ | সুভাষ মুখোপাধ্যায় | বাংলা

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯৬ | মহাশ্বেতা দেবী | বাংলা

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯৯ | নির্মল ভার্মা এবং গুরুদয়াল সিং | হিন্দি/পাঞ্জাবি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০০৫ | কুনওয়ার নারায়ণ | হিন্দি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১০ | চন্দ্রশেখর কাম্বার | কন্নড়

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৬ | শঙ্খ ঘোষ | বাংলা

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৮ | অমিতাভ ঘোষ | ইংরেজি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৯ | আক্কিথাম নাম্বুথিরি | মালয়ালম

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২১ | নীলমণি ফুকন | অসমীয়া

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২২ | দামোদর মৌজো | কোঙ্কানি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২৩ | গুলজার এবং জগদ্গুরু রামভদ্রাচার্য | উর্দু/সংস্কৃত

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২৪ | বিনোদ কুমার শুক্ল | হিন্দি

তাঁদের প্রধান কাজের একটি তুলনামূলক চিত্র:
একটি দারুণ সংযোগ: > ১৯৭৭ সালে করন্থ এবং ১৯৭৮ সালে 'অজ্ঞেয়' জ্ঞানপীঠ পাওয়ার অর্থ হলো—ভারতীয় সাহিত্য সেই সময়ে গ্রামীণ শেকড় এবং আধুনিক মনস্তত্ত্ব, উভয়কেই সমানভাবে স্বীকৃতি দিয়েছিল।


0 Comments