George Bernard Shaw: Pygmalion: বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব
জর্জ বার্নার্ড শ-এর বিখ্যাত নাটক 'পিগম্যালিয়ন' (Pygmalion) ১৯১৩ সালে প্রথম মঞ্চস্থ হয়। গ্রিক পুরাণের রাজা পিগম্যালিয়নের গল্প থেকে অনুপ্রাণিত হলেও, শ এখানে আভিজাত্য, ভাষা এবং সামাজিক বৈষম্যকে একটি বিদ্রূপাত্মক আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছেন।
নিচে নাটকটির বিষয়বস্তু এবং প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে এর প্রভাব আলোচনা করা হলো:
১. 'পিগম্যালিয়ন'-এর বিষয়বস্তু
নাটকটি মূলত একজন ধ্বনিবিজ্ঞানী হেনরি হিগিন্স এবং রাস্তার এক দরিদ্র ফুলওয়ালী এলিজা ডুলিটলকে কেন্দ্র করে আবর্তিত।
রূপান্তর ও দম্ভ: হিগিন্স বাজি ধরেন যে, তিনি এলিজার কথা বলার ধরন এবং আচার-ব্যবহার বদলে দিয়ে তাকে একজন আভিজাত্যপূর্ণ 'ডাচস' হিসেবে পরিচিত করতে পারবেন। এটি মূলত মানুষের বাহ্যিক রূপান্তর বনাম অভ্যন্তরীণ আত্মমর্যাদার লড়াই।
ভাষার মাধ্যমে সামাজিক বিভাজন: শ দেখাতে চেয়েছেন যে, ব্রিটিশ সমাজে একজন মানুষের পরিচয় তার মেধা দিয়ে নয়, বরং তার কথা বলার ভঙ্গি বা 'অ্যাকসেন্ট' দিয়ে নির্ধারিত হয়।
নারী স্বাধীনতা ও আত্মপরিচয়: নাটকের শেষে এলিজা যখন হিগিন্সের তৈরি করা ছক থেকে বেরিয়ে আসে, তখন সে আর কেবল একটি "পরীক্ষার বস্তু" থাকে না। সে তার নিজের অধিকার এবং অস্তিত্ব সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে।
২. পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব
পাশ্চাত্য সাহিত্যে এই নাটকটি এক নতুন ধারার সূচনা করে। এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী:
মিউজিক্যাল ও সিনেমা: এই নাটকের আধারে তৈরি জনপ্রিয় মিউজিক্যাল এবং চলচ্চিত্র 'মাই ফেয়ার লেডি' (My Fair Lady) পাশ্চাত্য পপ সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শ্রেণি সংগ্রামের রূপক: পরবর্তীতে অনেক নাটক ও উপন্যাসে 'পিগম্যালিয়ন এফেক্ট' (কারো ওপর উচ্চ প্রত্যাশা রাখলে তার উন্নতি ঘটে) ধারণাটি ব্যবহৃত হয়েছে।
নারীবাদী পাঠ: ভিক্টোরিয়ান যুগের কঠোর সামাজিক কাঠামো ভেঙে একজন নারীর স্বনির্ভর হয়ে ওঠার গল্প হিসেবে এটি আধুনিক পাশ্চাত্য সাহিত্যে আদর্শ হিসেবে গণ্য হয়।
৩. প্রাচ্য সাহিত্যে প্রভাব
প্রাচ্য সাহিত্যে, বিশেষ করে বাংলা ও ভারতীয় সাহিত্যে 'পিগম্যালিয়ন'-এর প্রভাব অপরিসীম। শ্রেণি বৈষম্য ও ভাষা পরিবর্তনের বিষয়টি আমাদের এই অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে খুব প্রাসঙ্গিক ছিল।
বাংলা নাটক (বদল ও রূপান্তর): বাংলা সাহিত্যে এই নাটকের ছায়া অবলম্বনে বহু রূপান্তর তৈরি হয়েছে। যেমন— অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত নাটক 'মঞ্জরী আমের মঞ্জরী' সরাসরি 'পিগম্যালিয়ন' থেকে অনুপ্রাণিত।
চলচ্চিত্র: বাংলা চলচ্চিত্র 'ওগো বধূ সুন্দরী' (উত্তম কুমার অভিনীত) এই নাটকেরই একটি আধুনিক ও প্রাণবন্ত রূপান্তর। এখানেও আমরা দেখি একজন অশিক্ষিত মেয়েকে সমাজের উঁচুতলার উপযোগী করে তোলার চেষ্টা এবং তার মানবিক পরিণাম।
সামাজিক প্রেক্ষাপট: প্রাচ্য সাহিত্যে আভিজাত্য এবং 'চাষা' বা 'নিম্নবিত্ত' মানুষের মধ্যে যে ভাষাগত ও আচরণগত ব্যবধান, তা ফুটিয়ে তুলতে শ-এর এই ফরম্যাটটি লেখকরা বারবার ব্যবহার করেছেন।
বার্নার্ড শ-এর 'পিগম্যালিয়ন' কেবল একটি কমেডি নয়, বরং এটি মানুষের আত্মপরিচয় খোঁজার গল্প। প্রাচ্য হোক বা পাশ্চাত্য, যেখানেই আভিজাত্যের দম্ভ আর সাধারণ মানুষের লড়াই বিদ্যমান, সেখানেই 'পিগম্যালিয়ন' প্রাসঙ্গিক।
পিগম্যালিয়ন' নাটকের প্রাণ হলো এর চরিত্রগুলো। বিশেষ করে এলিজা ডুলিটল এবং হেনরি হিগিন্স—এই দুজনেই নাটকটির মূল দ্বন্দ্ব এবং দর্শনের প্রতিনিধিত্ব করেন।
নিচে এই দুটি প্রধান চরিত্রের বিস্তারিত বিশ্লেষণ দেওয়া হলো:
১. এলিজা ডুলিটল (Eliza Doolittle)
এলিজা কেবল একজন সাধারণ ফুলওয়ালী থেকে 'লেডি' হয়ে ওঠার গল্প নয়, বরং এটি একজন নারীর আত্ম-আবিষ্কারের যাত্রা।
বিবর্তন: নাটকের শুরুতে এলিজা অশিক্ষিত, অমার্জিত ভাষায় কথা বলা এক মেয়ে। কিন্তু তার মধ্যে শেখার প্রবল আগ্রহ এবং আত্মসম্মানবোধ ছিল। হিগিন্সের প্রশিক্ষণে সে কেবল শুদ্ধ উচ্চারণই শেখে না, বরং উচ্চবিত্ত সমাজের অন্তঃসারশূন্যতাও বুঝে ফেলে।
সংঘাত: এলিজার মূল সংকট শুরু হয় যখন সে বুঝতে পারে যে, সে এখন আর আগের মতো রাস্তায় ফুল বিক্রি করতে পারবে না, আবার হিগিন্সের কাছে সে কেবল একটি "পরীক্ষার বিষয়" ছাড়া আর কিছুই নয়।
স্বাধীনতা: নাটকের শেষে এলিজা যখন হিগিন্সের জুতো তার দিকে ছুঁড়ে মারে, সেটি ছিল তার শৃঙ্খলমুক্তির প্রতীক। সে প্রমাণ করে যে, পোশাক বা ভাষা নয়, মানুষের চরিত্র এবং সম্মান তার আসল পরিচয়।
২. হেনরি হিগিন্স (Henry Higgins)
হিগিন্স হলেন একজন প্রতিভাবান কিন্তু অত্যন্ত উদ্ধত এবং আবেগহীন ধ্বনিবিজ্ঞানী।
শিক্ষকের দম্ভ: হিগিন্স এলিজাকে একজন মানুষ হিসেবে নয়, বরং একটি 'প্রজেক্ট' হিসেবে দেখেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, ভাষার পরিবর্তন ঘটিয়ে যে কাউকে সামাজিক স্তরের উপরে তোলা সম্ভব।
আচরণগত বৈপরীত্য: মজার বিষয় হলো, হিগিন্স এলিজাকে আভিজাত্য শেখালেও তিনি নিজে অত্যন্ত অমার্জিত এবং খামখেয়ালি। তিনি ভদ্রতার তোয়াক্কা করেন না এবং সবসময় নিজের বুদ্ধিমত্তার বড়াই করেন।
সম্পর্ক: হিগিন্স এলিজার প্রতি কোনো প্রথাগত রোমান্টিক টান অনুভব করেন না, বরং এলিজা যখন তার অবাধ্য হয়, তখন তিনি তাকে একজন যোগ্য প্রতিপক্ষ হিসেবে সম্মান করতে শুরু করেন।
৩. আলফ্রেড ডুলিটল (Alfred Doolittle)
এলিজার বাবা আলফ্রেড ডুলিটল নাটকটির অন্যতম কৌতুকপূর্ণ এবং দার্শনিক চরিত্র।
মধ্যবিত্ত নৈতিকতা: শ এই চরিত্রের মাধ্যমে তৎকালীন ব্রিটিশ সমাজের নৈতিকতাকে ব্যঙ্গ করেছেন। আলফ্রেড নিজেকে "অযোগ্য দরিদ্র" (Undeserving Poor) বলে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন।
পরিবর্তন: নাটকের শেষে যখন তিনি হঠাৎ প্রচুর অর্থের মালিক হয়ে যান, তখন তিনি আক্ষেপ করেন যে, এখন তাকে তথাকথিত "মধ্যবিত্ত নৈতিকতা" মেনে চলতে হবে, যা তার স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে।
একটি আকর্ষণীয় তথ্য: নাটকের শেষে হিগিন্স এবং এলিজার বিয়ে হয় না (যদিও সিনেমার রূপান্তরগুলোতে সাধারণত মিলন দেখানো হয়)। বার্নার্ড শ জানতেন যে, এলিজার মতো আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন নারী কখনোই হিগিন্সের মতো একজন আত্মকেন্দ্রিক মানুষের অধীনে থাকতে চাইবে না।
এলিজা এবং হিগিন্সের সম্পর্কটি কোনো সাধারণ প্রেমের গল্প নয়; এটি মূলত ক্ষমতা, সামাজিক মর্যাদা এবং আত্মপরিচয়ের এক জটিল মনস্তাত্ত্বিক লড়াই। এই সম্পর্কের তিনটি বিশেষ দিক নিচে আলোচনা করা হলো যা নাটকটিকে কালজয়ী করে তুলেছে:
১. 'স্রষ্টা' বনাম 'সৃষ্টির' দ্বন্দ্ব (The Creator and the Creation)
গ্রিক পুরাণে পিগম্যালিয়ন তার নিজের তৈরি মূর্তির প্রেমে পড়েছিলেন। কিন্তু বার্নার্ড শ-এর নাটকে হিগিন্স এলিজাকে একজন রক্ত-মাংসের মানুষ হিসেবে নয়, বরং তার ধ্বনিবিজ্ঞানের একটি সফল 'এক্সপেরিমেন্ট' হিসেবে দেখেন।
হিগিন্সের দৃষ্টিভঙ্গি: তিনি এলিজাকে অনেকটা কাদার পুতুলের মতো নিজের ইচ্ছামতো গড়ে তোলেন। তার কাছে এলিজার আবেগ বা ভবিষ্যতের কোনো গুরুত্ব ছিল না।
এলিজার বিদ্রোহ: যখন এলিজা বুঝতে পারে যে হিগিন্স তাকে কেবল তার জেতানো বাজি (Bet) হিসেবে দেখছেন, তখন সে বিদ্রোহ করে। সে প্রমাণ করে যে স্রষ্টা তার সৃষ্টিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেও তার আত্মাকে বন্দী করতে পারেন না।
২. মানসিক নির্ভরশীলতা বনাম অবজ্ঞা
তাদের সম্পর্কের মধ্যে একটি অদ্ভুত বৈপরীত্য আছে। হিগিন্স এলিজাকে সারাক্ষণ তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন, তাকে "বুলবুলি" (Squashed cabbage leaf) বা সাধারণ রাস্তার মেয়ে বলে সম্বোধন করেন। অথচ নাটকের শেষে দেখা যায়:
এলিজা হিগিন্সের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। হিগিন্স নিজের অজান্তেই তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন (যেমন—তার চটি কোথায় বা তার ডায়েরি কোথায়, তা এলিজাই জানে)।
অন্যদিকে, এলিজা হিগিন্সের কাছ থেকে কেবল ভাষা শেখেনি, সে তার ব্যক্তিত্বের দৃঢ়তাও অর্জন করেছে। হিগিন্স তাকে "লেডি" বানাতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত তাকে একজন "স্বাধীনচেতা নারী" হিসেবে গড়ে তুলেছেন।
৩. রোমান্টিকতা বনাম বাস্তবতা (The Anti-Romantic End)
অধিকাংশ পাঠক বা দর্শক আশা করেন যে নাটকের শেষে হিগিন্স এবং এলিজার বিয়ে হবে। কিন্তু শ এখানে অত্যন্ত কঠোর বাস্তববাদী।
কেন তারা এক হলেন না? হিগিন্স একজন চিরকুমার এবং অত্যন্ত আত্মকেন্দ্রিক মানুষ। তিনি এলিজাকে পরিবর্তন করলেও নিজে পরিবর্তন হতে রাজি নন।
এলিজার সিদ্ধান্ত: এলিজা বুঝতে পেরেছিল যে হিগিন্সের সাথে থাকা মানে সারাজীবন তার ছায়া হয়ে থাকা। তাই সে ফ্রেডির মতো একজন সাধারণ কিন্তু তাকে সম্মান করা মানুষকে বেছে নেওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
একটি বিশেষ উদ্ধৃতি:
এলিজা একবার হিগিন্সকে বলেছিল:
"আমি আপনার জন্য কাজ করেছি, আপনার সেবা করেছি... কিন্তু আপনি কখনোই আমাকে একটি বারের জন্যও ধন্যবাদ দেননি।"
এটিই তাদের সম্পর্কের মূল ফাটল—হিগিন্স এলিজার শ্রম এবং পরিবর্তনকে স্বীকার করলেও তার মানবিক সত্তাকে স্বীকৃতি দিতে দেরি করে ফেলেছিলেন।
পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।। ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক শেয়ার করুন।।লেখক : আব্দুল মুসরেফ খাঁন (কনকপুর)পাঁশকুড়া : পূর্বমেদিনীপুর : email :lib.pbc@gmail.com
Read More (Index-)
2. অ্যাংলো স্যাক্সন যুগ : ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাস
3. অ্যাংলো নরম্যান যুগ : ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাস
4. মিডল ইংলিশ পিরিয়ড এবং চসারের যুগ
5. ওল্ড ইংলিশ বা অ্যাংলো-স্যাক্সন যুগ (৪৫০–১০৬৬)
6.মিডল ইংলিশ বা মধ্যযুগ (১০৬৬–১৫০০)
7. জেফ্রি চসারের 'দ্য ক্যান্টারবেরি টেলস' (The Canterbury Tales)
8. Sir Thomas Malory: Le Morte d'Arthur
9. William Langland: Piers Plowman
10. রেনেসাঁ বা নবজাগরণ যুগ (১৫০০–১৬৬০)
11. William Shakespeare: Hamlet, Macbeth, Romeo and Juliet
12. Christopher Marlowe: Doctor Faustus
13.Edmund Spenser: The Faerie Queene
14. John Milton: Paradise Lost (প্যারাডাইস লস্ট)
15.নিও-ক্লাসিক্যাল যুগ (১৬৬০–১৭৯৮)
16. John Dryden: Absalom and Achitophel
17. Alexander Pope: The Rape of the Lock
18. Jonathan Swift: Gulliver's Travels (গালিভার্স ট্রাভেলস)
19. Daniel Defoe: Robinson Crusoe
20. রোমান্টিক যুগ (১৭৯৮–১৮৩২) : আবেগ, প্রকৃতি এবং কল্পনার জয়গান ছিল এই যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য
21. William Wordsworth & S.T. Coleridge: Lyrical Ballads : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব:
22. John Keats: Ode to a Nightingale : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব
23. P.B. Shelley: Ode to the West Wind : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব
24. Jane Austen: Pride and Prejudice : বিষয়বস্তু আলোচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যে প্রভাব
25. ভিক্টোরিয়ান যুগ (১৮৩২–১৯০১) শিল্প বিপ্লব এবং সামাজিক সমস্যার প্রতিফলন
26. Charles Dickens: David Copperfield, A Tale of Two Cities;
27. Lord Tennyson: In Memoriam: বিষয়বস্তু
28. Robert Browning: My Last Duchess বিষয়বস্তু
29. Thomas Hardy: Tess of the d'Urbervilles বিষয়বস্তু
30. আধুনিক যুগ (১৯০১–১৯৩৯) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব এবং মানুষের বিচ্ছিন্নতাবোধ
31. T.S. Eliot: The Waste Land (দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড) বিষয়বস্তু
32. Virginia Woolf: Mrs Dalloway: বিষয়বস্তু
33. James Joyce: Ulysses :বিষয়বস্তু
34. George Bernard Shaw: Pygmalion: বিষয়বস্তু
35. উত্তর-আধুনিক যুগ (১৯৩৯–বর্তমান) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সাহিত্যে অনিশ্চয়তা

0 Comments