জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৯ | বীরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্য | অসমীয়া | মৃত্যুঞ্জয় |

 


জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৯ | বীরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্য | অসমীয়া | মৃত্যুঞ্জয় |

বীরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্য (১৯২৪–১৯৯৪) ছিলেন আধুনিক অসমীয়া সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার এবং একজন প্রখ্যাত ভারতীয় লেখক। তিনি মূলত তাঁর রাজনৈতিক চেতনা এবং সমাজতান্ত্রিক ভাবধারার জন্য পরিচিত।

তাঁর সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:

১. জ্ঞানপীঠ পুরস্কার বিজয়

তিনিই প্রথম অসমীয়া সাহিত্যিক যিনি ১৯৭৯ সালে ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'মৃত্যুঞ্জয়'-এর জন্য তিনি এই সম্মান পেয়েছিলেন।

২. উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম

বীরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্যের লেখায় আসামের জনজীবন, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং সামাজিক পরিবর্তনের ছবি নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। তাঁর প্রধান কিছু কাজ হলো:

  • মৃত্যুঞ্জয়: ১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত এক কালজয়ী উপন্যাস।

  • ঈয়ারুইঙ্গাম (Iyaruingam): এই উপন্যাসের জন্য তিনি ১৯৬১ সালে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান। এটি নাগাল্যান্ডের ট্যাংখুল নাগা উপজাতিদের জীবন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে লেখা।

  • প্রতিপদ: শ্রমিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।

  • আই: মাতৃত্ব এবং গ্রামীণ জীবনের টানাপোড়েন নিয়ে লেখা।

৩. সাংবাদিকতা ও অন্যান্য অবদান

  • তিনি অত্যন্ত প্রভাবশালী অসমীয়া পত্রিকা 'রামধেনু' (Ramdhenu)-র সম্পাদক ছিলেন। তাঁর সম্পাদনায় এই পত্রিকাটি অসমীয়া সাহিত্যে এক নতুন যুগের (রামধেনু যুগ) সূচনা করেছিল।

  • তিনি ১৯৮৩-১৯৮৫ সাল পর্যন্ত অসম সাহিত্য সভা-র সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

  • ১৯৮৭ সালে তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় সাহিত্য অকাদেমি-র সভাপতি নির্বাচিত হন।


বীরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্যের সাহিত্য কেবল গল্প বলার জন্য ছিল না; বরং তা ছিল শোষিত মানুষের কণ্ঠস্বর এবং আদর্শিক সংগ্রামের প্রতিফলন।

বীরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্যের দুটি শ্রেষ্ঠ কাজের মধ্যে আপনি কোনটি সম্পর্কে জানতে আগ্রহী?

আমি আপনাকে নিচের যেকোনো একটির বিস্তারিত সারাংশ দিতে পারি:

  • মৃত্যুঞ্জয়: ১৯৪২ সালের স্বাধীনতা আন্দোলনের সেই রোমহর্ষক দিনগুলো, যেখানে অহিংসা বনাম সশস্ত্র বিপ্লবের দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছে।

  • ঈয়ারুইঙ্গাম: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী নাগাল্যান্ডের সমাজ, তাদের সংস্কৃতি এবং অস্তিত্বের লড়াইয়ের এক মহাকাব্যিক গল্প।

বীরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্যের 'মৃত্যুঞ্জয়' একটি অসাধারণ উপন্যাস। এটি কেবল একটি যুদ্ধের গল্প নয়, বরং মানুষের আদর্শ এবং ত্যাগের এক গভীর দলিল।

নিচে এই কালজয়ী উপন্যাসের সংক্ষিপ্ত সারাংশ এবং মূল ভাব তুলে ধরা হলো:

পটভূমি

উপন্যাসটি ১৯৪২ সালের 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনের উত্তাল সময়ের ওপর ভিত্তি করে লেখা। আসামের নওগাঁ জেলার এক প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষেরা কীভাবে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে ব্রিটিশ শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল, তা-ই এখানে চিত্রিত হয়েছে।

কাহিনী সংক্ষেপ

উপন্যাসের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে আছে একদল বিপ্লবী যারা একটি ব্রিটিশ সামরিক ট্রেন লাইনচ্যুত করার পরিকল্পনা করে।

  • চরিত্রের বৈচিত্র্য: এখানে মহাদেব চৌধুরী, ধনপুর, গোসাঁই এবং অনুপমার মতো চরিত্রগুলো ফুটে উঠেছে। এদের কেউ চরমপন্থী বিপ্লবে বিশ্বাসী, আবার কেউ অহিংসার পথে।

  • দ্বন্দ্ব: উপন্যাসে একদিকে রয়েছে ব্রিটিশদের কঠোর দমন-পীড়ন, আর অন্যদিকে বিপ্লবীদের অভ্যন্তরীণ মানসিক দ্বন্দ্ব। 'শান্তি সেনানী' হিসেবে অহিংস নীতি মেনে চলা হবে, নাকি দেশের জন্য অস্ত্র ধরা জায়েজ—এই নৈতিক লড়াই উপন্যাসটিকে গভীরতা দিয়েছে।

  • সাধারণ মানুষের ত্যাগ: উপন্যাসে দেখানো হয়েছে যে, বড় বড় নেতাদের চেয়েও গ্রামের সাধারণ কৃষক এবং সাধারণ ঘরের নারীরা কীভাবে নিঃস্বার্থভাবে দেশের জন্য প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন।

উপন্যাসের বিশেষত্ব

  • মৃত্যুর ওপর জয়: বইটির নাম 'মৃত্যুঞ্জয়' হওয়ার কারণ হলো, এখানে বিপ্লবীরা মৃত্যুকে ভয় পায় না। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে নিজেদের তুচ্ছ করা এবং মৃত্যুকে জয় করার অদম্য জেদই এখানে মুখ্য।

  • বাস্তববাদ: লেখক নিজে এই আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন, তাই এর বর্ণনা অত্যন্ত বাস্তবসম্মত এবং আবেগঘন।


"মৃত্যুঞ্জয় কেবল একটি রাজনৈতিক উপন্যাস নয়, এটি একটি জাতির আত্মত্যাগের কাব্য।"

উপন্যাসের প্রধান দুটি স্তম্ভ হচ্ছে মহাদেব চৌধুরী এবং ধনপুর। তাদের চরিত্র দুটির মাধ্যমেই লেখক মূলত আন্দোলনের দুটি ভিন্ন ধারা এবং মানবিক সম্পর্কের গভীরতাকে তুলে ধরেছেন।

নিচে তাদের জীবনদর্শন সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:

১. মহাদেব চৌধুরী (আদর্শবাদের প্রতীক)

মহাদেব চৌধুরী উপন্যাসের এক অত্যন্ত সংযত এবং শ্রদ্ধেয় চরিত্র।

  • নেতৃত্ব ও নৈতিকতা: তিনি বিপ্লবীদের নেতা। তবে তাঁর মনে সবসময়ই একটা বড় দ্বন্দ্ব ছিল—গান্ধীজির অহিংস নীতি বনাম দেশমুক্তির জন্য সশস্ত্র সংগ্রামের প্রয়োজনীয়তা।

  • মানবতা: চরম উত্তেজনার মুহূর্তগুলোতেও তিনি তাঁর মানবিকতা হারাননি। তাঁর কাছে দেশের মুক্তি যতটা জরুরি ছিল, আন্দোলনের পবিত্রতা বজায় রাখাও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

২. ধনপুর (সাহস ও ত্যাগের প্রতিচ্ছবি)

ধনপুর চরিত্রটি অনেক বেশি লড়াকু এবং মাটির কাছাকাছি থাকা একজন মানুষের প্রতিচ্ছবি।

  • বিপ্লবী সত্তা: ধনপুর কোনো তাত্ত্বিক নেতা নন, বরং তিনি একজন কাজের মানুষ। ট্রেনের সেই বিপজ্জনক অপারেশন সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য।

  • ব্যক্তিগত প্রেম ও দেশপ্রেম: তাঁর জীবনের এক ট্র্যাজিক কিন্তু সুন্দর দিক হলো অনুপমার প্রতি তাঁর ভালোবাসা। একদিকে দেশের জন্য মরণপণ লড়াই, আর অন্যদিকে মনের কোণে লালন করা প্রেম—এই দুইয়ের টানাপোড়েন ধনপুরকে পাঠকদের কাছে অত্যন্ত আপন করে তুলেছে।


ধনপুর ও অনুপমার রসায়ন

উপন্যাসে অনুপমা এবং ধনপুরের সম্পর্কের মধ্য দিয়ে লেখক দেখিয়েছেন যে, বিপ্লবীদেরও একটি সাধারণ মানবিক হৃদয় থাকে। যুদ্ধের কঠোরতার মাঝেও তাদের প্রেম ছিল অত্যন্ত স্নিগ্ধ এবং আত্মত্যাগে ভরা।

'মৃত্যুঞ্জয়' উপন্যাসের সেই রোমহর্ষক রেল লাইনচ্যুত করার অভিযানের কাহিনী বা মূল ঘটনার মোড়গুলো জানতে চান, তবে তা নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরছি:

অভিযানের পটভূমি

উপন্যাসের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ অংশ হলো পাহাড়পুর স্টেশনের কাছে ব্রিটিশ সামরিক ট্রেন ধ্বংস করার পরিকল্পনা। বিপ্লবীরা খবর পায় যে, ওই ট্রেনে করে ব্রিটিশ সেনারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যাচ্ছে। সেই ট্রেনটি আটকাতে পারলেই ব্রিটিশ শক্তিকে বড় ধাক্কা দেওয়া সম্ভব।

কাহিনীর মূল পর্যায়গুলো

  • বিপজ্জনক প্রস্তুতি: মহাদেব চৌধুরীর নেতৃত্বে ধনপুরসহ একদল বিপ্লবী গভীর জঙ্গলের ভেতর দিয়ে রাতের আঁধারে রওনা হন। তাদের সাথে ছিল হাতে তৈরি বোমা এবং সাধারণ কিছু সরঞ্জাম। প্রতিটি মুহূর্ত ছিল ধরা পড়ার আতঙ্কে ভরা।

  • ধনপুরের অসীম সাহস: রেলের ফিশ-প্লেট খোলার মতো কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজটি মূলত ধনপুরই তদারকি করেন। বৃষ্টির রাতে পিচ্ছিল পাহাড়ি পথে নিজের জীবন বাজি রেখে তারা রেললাইন উপড়ে ফেলেন।

  • ট্রেন দুর্ঘটনা: শেষ পর্যন্ত গভীর রাতে যখন সামরিক ট্রেনটি সেই ভাঙা লাইনের ওপর দিয়ে যায়, তখন এক বিকট শব্দে তা লাইনচ্যুত হয়। ব্রিটিশ সৈন্যদের মধ্যে হাহাকার পড়ে যায়। বিপ্লবীদের এই অপারেশন সফল হয়, কিন্তু এর মূল্য দিতে হয় অনেক চড়া।

  • সংঘাত ও আত্মত্যাগ: দুর্ঘটনার পরপরই ব্রিটিশ সেনারা চারপাশ থেকে গুলি চালাতে শুরু করে। এই লড়াইয়ে ধনপুর মারাত্মকভাবে আহত হন। বিপ্লবীদের ছত্রভঙ্গ হয়ে যেতে হয়। অনুপমা এবং মহাদেব চৌধুরী প্রাণপণ চেষ্টা করেন আহতদের রক্ষা করতে, কিন্তু ব্রিটিশদের নৃশংস দমন-পীড়ন সব ওলটপালট করে দেয়।

কাহিনীর শেষ পরিণতি

উপন্যাসের শেষে আমরা দেখি, এই ধ্বংসাত্মক ঘটনার পর গ্রামগুলোতে ব্রিটিশদের অকথ্য অত্যাচার শুরু হয়। কিন্তু এই 'মৃত্যু' বা ধ্বংসই শেষ কথা নয়। সাধারণ গ্রামবাসী এবং বিপ্লবীরা প্রমাণ করেন যে, অস্ত্রের চেয়েও বড় হলো মানুষের মনের স্বাধীনতা। ধনপুরের মৃত্যু বা বাকিদের কারাবরণ—সবকিছু ছাপিয়ে উপন্যাসে দেশপ্রেমের জয়গান ঘোষিত হয়েছে।


একটি বিশেষ তথ্য: বীরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্য এই কাহিনীতে মানুষের জৈবিক ক্ষুধা, প্রেম এবং আধ্যাত্মিক চেতনার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ ঘটিয়েছেন, যা একে কেবল একটি 'বিপ্লবী গল্প' থেকে উচ্চমানের 'সাহিত্য' করে তুলেছে।

পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।। ভালো লাগলে  অবশ্যই লাইক শেয়ার করুন।।লেখক : আব্দুল মুসরেফ খাঁন email :lib.pbc@gmail.com





  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭০ - বিশ্বনাথ সত্যনারায়ণ - তেলুগু - রামায়ণ কল্পবৃক্ষমু 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭১ -বিষ্ণু দে -বাংলা- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭২ -রামধারী সিং 'দিনকর' - হিন্দি - উর্বশী  
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭৩- ডি আর বেন্দ্রে এবং গোপীনাথ মোহান্তি - কন্নড়/ওড়িয়া - নাকুতান্তি / মাটিমাতাল 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭৪ - বিষ্ণু সখারাম খান্দেকর - মারাঠি -যযাতি
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭৫ - পি ভি আকিলান - তামিল - চিত্রাপ্পাবাই 
  • মালয়ালম কবি জি শঙ্কর কুরুপ 
  • কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'গণদেবতা'-
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার যৌথভাবে দুজন সাহিত্যিককে প্রদান করা হয়েছিল—কন্নড় কবি কে. ভি. পুত্তাপ্পা (কুভেম্পু) এবং গুজরাতি কবি উমাশঙ্কর যোশী।
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৬৮ - সুমিত্রানন্দন পন্ত - হিন্দি -চিদাম্বরা 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার  -১৯৬৯ - ফিরাক গোরখপুরী - উর্দু - গুল-এ-নগমা
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭০ - বিশ্বনাথ সত্যনারায়ণ - তেলুগু - রামায়ণ কল্পবৃক্ষমু 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭৬ - আশাপূর্ণা দেবী- বাংলা - প্রথম প্রতিশ্রুতি 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৭ | কে শিবরাম করন্থ | কন্নড় | মুকাজ্জিয়া কনসুগলু |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৮ | এস এইচ ভি বাৎসায়ন | হিন্দি | কিতনি নাও মে কিতনি বার |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৯ | বীরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্য | অসমীয়া | মৃত্যুঞ্জয় |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮০ | এস কে পোট্টেক্কাট | মালয়ালম | ওরু দেশথিন্তে কথা |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮১ | অমৃতা প্রীতম | পাঞ্জাবি | কাগজ তে ক্যানভাস |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮২ | মহাদেবী বর্মা | হিন্দি | সার্বিক অবদান (যামা - বিশেষ উল্লেখে) |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯১ | সুভাষ মুখোপাধ্যায় | বাংলা 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯৬ | মহাশ্বেতা দেবী | বাংলা 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯৯ | নির্মল ভার্মা এবং গুরুদয়াল সিং | হিন্দি/পাঞ্জাবি
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০০৫ | কুনওয়ার নারায়ণ | হিন্দি 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১০ | চন্দ্রশেখর কাম্বার | কন্নড় 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৬ | শঙ্খ ঘোষ | বাংলা 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৮ | অমিতাভ ঘোষ | ইংরেজি 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৯ | আক্কিথাম নাম্বুথিরি | মালয়ালম 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২১ | নীলমণি ফুকন | অসমীয়া 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২২ | দামোদর মৌজো | কোঙ্কানি 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২৩ | গুলজার এবং জগদ্গুরু রামভদ্রাচার্য | উর্দু/সংস্কৃত 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২৪ | বিনোদ কুমার শুক্ল | হিন্দি 

Post a Comment

0 Comments