জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৭ | কে শিবরাম করন্থ | কন্নড় | মুকাজ্জিয়া কনসুগলু |
কোটা শিবরাম করন্থ (১৯০২–১৯৯৭) ছিলেন আধুনিক কন্নড় সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক, বুদ্ধিজীবী এবং সমাজ সংস্কারক। তাঁকে কন্নড় সাহিত্যের 'চলমান বিশ্বকোষ' বলা হয়।
আপনার উল্লেখ করা 'মুকাজ্জিয়া কনসুগলু' (Mookajjiya Kanasugalu) তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত এবং প্রভাবশালী উপন্যাস। এই বইটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নিচে দেওয়া হলো:
১. জ্ঞানপীঠ পুরস্কার
এই উপন্যাসের জন্যই শিবরাম করন্থ ১৯৭৭ সালে ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ করেন।
২. মূল কাহিনী ও প্রেক্ষাপট
মুকাজ্জি: উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলো 'মুকাজ্জি' (এক বৃদ্ধা বিধবা)। 'মুকাজ্জি' মানে যার কোনো কথা নেই বা যে নীরব থাকে, কিন্তু এই উপন্যাসে তিনি অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান।
অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা: মুকাজ্জির এক অদ্ভুত ক্ষমতা ছিল—তিনি কোনো বস্তু স্পর্শ করলে তার পেছনের ইতিহাস এবং মানুষের অবদমিত আকাঙ্ক্ষা বা অতীত দেখতে পেতেন।
কথোপকথন: পুরো উপন্যাসটি মূলত মুকাজ্জি এবং তাঁর নাতি সুব্বার মধ্যকার কথোপকথনের মাধ্যমে এগিয়ে যায়।
৩. উপন্যাসের মূল উপজীব্য
ইতিহাস ও বিবর্তন: শিবরাম করন্থ এই উপন্যাসে মানুষের আদিম প্রবৃত্তি, ধর্মের বিবর্তন এবং যৌনতার মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
অন্ধবিশ্বাসের প্রতিবাদ: তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে সমাজ ধর্ম ও আচারের নামে মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে।
নারীবাদ: তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজে একজন বিধবার দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে তিনি জীবনকে দেখার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন।
শিবরাম করন্থ সম্পর্কে কিছু দ্রুত তথ্য:
'মুকাজ্জিয়া কনসুগলু' (Mookajjiya Kanasugalu) কন্নড় সাহিত্যের একটি কালজয়ী উপন্যাস, যা ১৯৭৭ সালে প্রখ্যাত লেখক কে. শিবরাম করন্থকে ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান 'জ্ঞানপীঠ পুরস্কার' এনে দিয়েছিল।
বইটির মূল বিষয়বস্তু এবং বৈশিষ্ট্য নিচে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:
১. নামের অর্থ
'মুকাজ্জিয়া কনসুগলু' কথাটির আক্ষরিক অর্থ হলো 'মুকাজ্জির স্বপ্ন'। এখানে 'মুকাজ্জি' মানে বোবা বা নীরব ঠাকুমা। তবে উপন্যাসে তিনি মোটেই কথা বলতে পারেন না এমন নয়, বরং তিনি সমাজের প্রথাগত ধ্যান-ধারণার বাইরে গিয়ে জীবনকে দেখেন।
২. মূল কাহিনী ও প্রেক্ষাপট
উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মুকাজ্জি, একজন বৃদ্ধা বিধবা। তিনি তাঁর গ্রামের এক কোণে নিভৃতে বাস করেন। তাঁর এক অদ্ভুত ক্ষমতা ছিল—তিনি কোনো প্রাচীন বস্তু বা কোনো মানুষকে স্পর্শ করলে তার অতীত ইতিহাস, সেই ব্যক্তির অবদমিত কামনা-বাসনা এবং মানুষের বিবর্তনের ইতিহাস দেখতে পেতেন। তাঁর নাতি সুব্বা প্রায়ই তাঁর কাছে আসতেন এবং ঠাকুমার এই অদ্ভুত অভিজ্ঞতার কথা শুনতেন।
৩. উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়
যৌনতা ও মনস্তত্ত্ব: করন্থ এই উপন্যাসে মানুষের যৌন প্রবৃত্তি এবং একে ঘিরে সমাজের তৈরি করা কঠোর অনুশাসন ও ভণ্ডামিকে তুলে ধরেছেন। মুকাজ্জি তাঁর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখিয়েছেন যে, মানুষের কামনা-বাসনা অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং একে অস্বীকার করা মানে জীবনকে অস্বীকার করা।
ধর্ম ও বিবর্তন: ধর্ম কীভাবে সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়েছে এবং মানুষ কীভাবে নিজেদের প্রয়োজনে ঈশ্বর ও আচারের সৃষ্টি করেছে, তা মুকাজ্জির অভিজ্ঞতার মাধ্যমে খুব সহজভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
সামাজিক কুসংস্কারের প্রতিবাদ: তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজে একজন বিধবা নারীর দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে লেখক পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা এবং অন্ধবিশ্বাসের মূলে আঘাত করেছেন।
ইতিহাসের পাঠ: মুকাজ্জি যেন স্বয়ং ইতিহাসের এক জীবন্ত সাক্ষী। তাঁর মাধ্যমে লেখক প্রস্তর যুগ থেকে শুরু করে আধুনিক সময় পর্যন্ত মানুষের চেতনার বিবর্তন দেখিয়েছেন।
৪. কেন এটি বিশেষ?
শিবরাম করন্থ এই উপন্যাসে কোনো জাদুকরী বাস্তবতা (Magical Realism) নয়, বরং যুক্তিবাদী দর্শনের আশ্রয় নিয়েছেন। মুকাজ্জি চরিত্রটি কন্নড় সাহিত্যে নারী চেতনার এক অনন্য প্রতীক। তিনি একাধারে দার্শনিক, মুক্তমনা এবং প্রজ্ঞাবান।
শিবরাম করন্থ কেবল একজন লেখক ছিলেন না, তিনি ছিলেন একাধারে পরিবেশবিদ, সমাজ সংস্কারক এবং শিল্পী। তাঁর সাহিত্যকর্মের পরিধি বিশাল। আপনি যদি আরও গভীরে যেতে চান, তবে নিচের বিষয়গুলো আপনার ভালো লাগতে পারে:
১. শিবরাম করন্থের অন্য দুটি মাস্টারপিস:
চোমানা ডুডি (Chomana Dudi): এটি দলিত জীবনের এক মর্মস্পর্শী দলিল। 'চোমা' নামক এক ভূমিহীন কৃষকের স্বপ্ন ছিল নিজের এক টুকরো জমি চাষ করা, কিন্তু বর্ণপ্রথা ও দারিদ্র্য কীভাবে সেই স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করে দেয়, তাই নিয়ে এই উপন্যাস। এই উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি চলচ্চিত্রটি জাতীয় পুরস্কার জিতেছিল।
মারালি মান্নিগে (Marali Mannige): এর অর্থ 'মাটির টানে'। এটি উপকূলীয় কর্ণাটকের তিনটি প্রজন্মের সংগ্রামের কাহিনী। সামাজিক পরিবর্তন এবং টিকে থাকার লড়াইয়ের এক মহাকাব্যিক চিত্র ফুটে উঠেছে এখানে।
২. 'মুকাজ্জিয়া কনসুগলু' থেকে একটি বিশেষ শিক্ষণীয় দিক:
উপন্যাসের একটি অংশে মুকাজ্জি যখন মানুষের আদিম ইতিহাস নিয়ে কথা বলেন, তখন তিনি বুঝিয়ে দেন যে—"পাপ বা পুণ্য মানুষের তৈরি ধারণা মাত্র।" প্রকৃতির কাছে মানুষ কেবল তার প্রবৃত্তির বশবর্তী একটি প্রাণী। একজন বিধবা নারী হয়েও তাঁর এই আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারা পাঠকদের আজও অবাক করে।
৩. যক্ষগণ (Yakshagana) পুনরুজ্জীবন:
করন্থ কেবল কলম দিয়েই নয়, কর্ণাটকের ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্য 'যক্ষগণ'-কে বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচাতে এবং আধুনিক রূপ দিতে সারা জীবন কাজ করেছেন। তিনি এই শিল্পের জন্য একটি পৃথক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও গড়েছিলেন।
আপনার আগ্রহ দেখে খুব ভালো লাগছে। শিবরাম করন্থের বহুমুখী প্রতিভার মধ্যে 'মুকাজ্জি' চরিত্রের মনস্তত্ত্ব এবং তাঁর পরিবেশ আন্দোলন—দুইটিই অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
আমি নিচে সংক্ষেপে এই দুটি দিকই তুলে ধরছি, আপনি আপনার পছন্দমতো গভীরে যেতে পারেন:
১. মুকাজ্জি চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ
মুকাজ্জি কেবল একজন বৃদ্ধা নন, তিনি মানুষের অবদমিত চেতনার (Subconscious Mind) এক প্রতীক।
অতীতের সাক্ষী: তিনি যখন কোনো প্রাচীন পাথর বা অলঙ্কার স্পর্শ করেন, তখন তিনি সেই সময়ের মানুষের যৌন আকাঙ্ক্ষা, ভয় এবং হিংসার দৃশ্য দেখতে পান। ফ্রয়েডীয় মনস্তত্ত্বের মতো করন্থ এখানে দেখিয়েছেন যে, মানুষের আদিম প্রবৃত্তিগুলো হাজার বছর ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে।
সামাজিক সংস্কার বনাম সত্য: একজন বিধবা হওয়া সত্ত্বেও মুকাজ্জি প্রথাগত 'পাপ' বা 'শাস্তি'র ভয় পান না। তাঁর মনস্তত্ত্ব খুবই আধুনিক; তিনি বিশ্বাস করেন যে সমাজ যাকে 'অশ্লীল' বলে ত্যাগ করে, তা আসলে মানুষের অস্তিত্বের এক স্বাভাবিক অংশ। তিনি কোনো বিচারক নন, বরং একজন পর্যবেক্ষক।
২. শিবরাম করন্থের পরিবেশ আন্দোলন ও সমাজ সংস্কার
করন্থ কেবল সাহিত্যে সীমাবদ্ধ ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সক্রিয় কর্মী (Activist)।
কাইগা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিরোধী আন্দোলন: ১৯৮০-র দশকে কর্ণাটকের উত্তর কন্নড় জেলায় কাইগা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তিনি তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তোলেন। তাঁর ভয় ছিল এটি পশ্চিমঘাট পর্বতমালার জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করবে।
অরণ্য সংরক্ষণ: তিনি পশ্চিমঘাট পর্বতমালা সংরক্ষণের জন্য নিরলস লড়াই করেছেন। তাঁর মতে, প্রকৃতিকে ধ্বংস করে যে উন্নতি আসে, তা আসলে পতন।
শিক্ষায় সংস্কার: তিনি শিশুদের জন্য 'বালবন' (Balavana) নামক এক বিশেষ শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেন, যেখানে পুঁথিগত বিদ্যার চেয়ে প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ এবং সৃজনশীলতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
একটি মজার তথ্য:
শিবরাম করন্থ ভারতের জরুরি অবস্থার (Emergency) প্রতিবাদে তাঁর পদ্মভূষণ সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এটি তাঁর অদম্য নৈতিক সাহসের পরিচয় দেয়।
মুকাজ্জির একটি বিশেষ 'স্বপ্ন' বা দর্শন
উপন্যাসের একটি অংশে মুকাজ্জি একটি প্রাচীন পাথর স্পর্শ করেন। সেই স্পর্শের মাধ্যমে তিনি হাজার বছর আগের এক অতীতে চলে যান। তিনি দেখতে পান:
আদিম প্রবৃত্তির রূপ: সেই প্রাচীন সময়ে মানুষের মধ্যে আজকের মতো ধর্মের কঠোর নিয়ম বা 'পাপ-পুণ্যের' জটিল ধারণা ছিল না। তারা ছিল প্রকৃতির সন্তান। মুকাজ্জি দেখেন যে, ক্ষুধা এবং যৌনতা—এই দুটিই ছিল জীবনের মূল চালিকাশক্তি।
ধর্মের বিবর্তন: তিনি দেখতে পান কীভাবে মানুষ ভয় থেকে দেবতার সৃষ্টি করেছে। কোনো এক গোত্রপতি বা শক্তিশালী যোদ্ধা মারা গেলে তাকে ঘিরে শুরু হতো পূজা, যা পরবর্তীকালে মন্দিরে রূপান্তরিত হয়েছে। মুকাজ্জি তাঁর নাতি সুব্বাকে বুঝিয়ে দেন যে, ঈশ্বর মানুষের সৃষ্টি, মানুষ ঈশ্বরের নয়।
নারীর অবস্থান: মুকাজ্জি সেই অতীতে এমন সব নারীদের দেখেন যারা আজকের সমাজের মতো বন্দি ছিল না। তিনি দেখেন কীভাবে সমাজ ধীরে ধীরে নারীর ওপর বিধিনিষেধ চাপিয়ে দিয়েছে। একজন বিধবা হয়েও মুকাজ্জি সেই মুক্ত জীবনের দর্শনে কোনো দোষ খুঁজে পান না।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?
মুকাজ্জির এই 'স্বপ্ন'গুলো আসলে মনস্তাত্ত্বিক ভ্রমণ। তিনি অতীতের মানুষের লালসা, ঘৃণা এবং ভালোবাসা সরাসরি অনুভব করতে পারতেন। করন্থ এখানে দেখাতে চেয়েছেন যে, আমরা নিজেদের যত 'সভ্য'ই দাবি করি না কেন, আমাদের মনের গভীরে সেই আদিম মানুষটি এখনও জেগে আছে।
করন্থের পরিবেশবাদী লড়াইয়ের একটি বিশেষ ঘটনা
আপনি যদি অ্যাক্টিভিজম নিয়ে জানতে চান, তবে তাঁর কাইগা (Kaiga) পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিরোধী আন্দোলনের কথা বলা যায়।
আশির দশকে যখন তাঁর বয়স আশি পেরিয়ে গেছে, তখনও তিনি কর্ণাটকের বনভূমি বাঁচাতে রাস্তায় নেমেছিলেন। তিনি মনে করতেন, পারমাণবিক শক্তি কেবল পরিবেশ নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অস্তিত্বকেও বিপন্ন করবে। একজন লেখক হয়েও তাঁর এই বৈজ্ঞানিক ও পরিবেশবাদী দূরদর্শিতা ছিল অতুলনীয়।
পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।। ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক শেয়ার করুন।।লেখক : আব্দুল মুসরেফ খাঁন email :lib.pbc@gmail.com
- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭০ - বিশ্বনাথ সত্যনারায়ণ - তেলুগু - রামায়ণ কল্পবৃক্ষমু

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭১ -বিষ্ণু দে -বাংলা- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত
- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭২ -রামধারী সিং 'দিনকর' - হিন্দি - উর্বশী
- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭৩- ডি আর বেন্দ্রে এবং গোপীনাথ মোহান্তি - কন্নড়/ওড়িয়া - নাকুতান্তি / মাটিমাতাল

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭৪ - বিষ্ণু সখারাম খান্দেকর - মারাঠি -যযাতি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭৫ - পি ভি আকিলান - তামিল - চিত্রাপ্পাবাই

- মালয়ালম কবি জি শঙ্কর কুরুপ

- কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'গণদেবতা'-

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার যৌথভাবে দুজন সাহিত্যিককে প্রদান করা হয়েছিল—কন্নড় কবি কে. ভি. পুত্তাপ্পা (কুভেম্পু) এবং গুজরাতি কবি উমাশঙ্কর যোশী।

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৬৮ - সুমিত্রানন্দন পন্ত - হিন্দি -চিদাম্বরা

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৬৯ - ফিরাক গোরখপুরী - উর্দু - গুল-এ-নগমা

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭০ - বিশ্বনাথ সত্যনারায়ণ - তেলুগু - রামায়ণ কল্পবৃক্ষমু

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭৬ - আশাপূর্ণা দেবী- বাংলা - প্রথম প্রতিশ্রুতি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৭ | কে শিবরাম করন্থ | কন্নড় | মুকাজ্জিয়া কনসুগলু |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৮ | এস এইচ ভি বাৎসায়ন | হিন্দি | কিতনি নাও মে কিতনি বার |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৯ | বীরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্য | অসমীয়া | মৃত্যুঞ্জয় |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮০ | এস কে পোট্টেক্কাট | মালয়ালম | ওরু দেশথিন্তে কথা |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮১ | অমৃতা প্রীতম | পাঞ্জাবি | কাগজ তে ক্যানভাস |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮২ | মহাদেবী বর্মা | হিন্দি | সার্বিক অবদান (যামা - বিশেষ উল্লেখে) |

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯১ | সুভাষ মুখোপাধ্যায় | বাংলা

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯৬ | মহাশ্বেতা দেবী | বাংলা

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯৯ | নির্মল ভার্মা এবং গুরুদয়াল সিং | হিন্দি/পাঞ্জাবি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০০৫ | কুনওয়ার নারায়ণ | হিন্দি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১০ | চন্দ্রশেখর কাম্বার | কন্নড়

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৬ | শঙ্খ ঘোষ | বাংলা

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৮ | অমিতাভ ঘোষ | ইংরেজি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৯ | আক্কিথাম নাম্বুথিরি | মালয়ালম

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২১ | নীলমণি ফুকন | অসমীয়া

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২২ | দামোদর মৌজো | কোঙ্কানি

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২৩ | গুলজার এবং জগদ্গুরু রামভদ্রাচার্য | উর্দু/সংস্কৃত

- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২৪ | বিনোদ কুমার শুক্ল | হিন্দি



0 Comments