মহাভারতের বনপর্ব অর্জুনের স্বর্গগমন: ইন্দ্রলোকে গিয়ে চিত্রসেনের কাছে নাচ-গান শেখা এবং উর্বশীর অভিশাপ লাভ
মহাভারতের বনপর্বে অর্জুনের ইন্দ্রলোক গমন এবং সেখানে নৃত্য-গীত শিক্ষা ও উর্বশীর অভিশাপের কাহিনীটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নিচে এই ঘটনার প্রধান পর্যায়গুলো আলোচনা করা হলো:
ইন্দ্রলোকে অর্জুন ও চিত্রসেন
অর্জুন যখন দিব্যাস্ত্র লাভের আশায় ইন্দ্রলোকে অবস্থান করছিলেন, তখন দেবরাজ ইন্দ্র তাকে কেবল যুদ্ধবিদ্যা নয়, বরং ললিতকলায় পারদর্শী হওয়ার পরামর্শ দেন। ইন্দ্রের নির্দেশে গন্ধর্বরাজ চিত্রসেন অর্জুনকে গান, বাজনা এবং নৃত্যের প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেন। চিত্রসেনের কাছে অর্জুন একজন দক্ষ শিল্পীর মতো এই বিদ্যাগুলো আয়ত্ত করেন, যা পরবর্তীকালে বিরাট রাজ্যে ‘বৃহন্নলা’ রূপে অজ্ঞাতবাসের সময় তার খুব কাজে এসেছিল।
উর্বশীর প্রস্তাব
অর্জুনের রূপ ও গুণ দেখে অপ্সরা উর্বশী তার প্রতি আসক্ত হন। ইন্দ্রের ইঙ্গিতে উর্বশী একদিন রাতে অর্জুনের কক্ষে উপস্থিত হন এবং নিজের মনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। কিন্তু অর্জুন উর্বশীকে কামনার চোখে না দেখে পরম শ্রদ্ধার সাথে প্রত্যাখ্যান করেন।
অর্জুনের যুক্তি ছিল:
"যেহেতু উর্বশী কুরুবংশের পূর্বপুরুষ পুরুরবার পত্নী ছিলেন, তাই তিনি অর্জুনের কাছে জননী বা মাতার সমান।"
উর্বশীর অভিশাপ
নিজের সৌন্দর্য ও আভিজাত্যের এমন প্রত্যাখ্যান উর্বশী মেনে নিতে পারেননি। কামনাতুর উর্বশী ক্রুদ্ধ হয়ে অর্জুনকে অভিশাপ দেন যে, অর্জুনকে নপুংসক হয়ে নারীদের মাঝে নর্তক হিসেবে জীবন অতিবাহিত করতে হবে।
অভিশাপের রূপান্তর
অর্জুন বিচলিত হয়ে পড়লে দেবরাজ ইন্দ্র তাকে সান্ত্বনা দেন। ইন্দ্র বলেন যে, এই অভিশাপ আসলে অর্জুনের জন্য ছদ্মবেশে আশীর্বাদ হয়ে আসবে। ইন্দ্রের হস্তক্ষেপে অভিশাপের মেয়াদ কমিয়ে এক বছর করা হয়। এই অভিশাপের কারণেই অজ্ঞাতবাসের সময় অর্জুন মৎস্য দেশে রাজা বিরাটের কন্যা উত্তরাকে নৃত্য ও গীত শেখানোর জন্য ‘বৃহন্নলা’ হিসেবে নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছিলেন।
অবশ্যই! মহাভারতের বিরাট পর্ব বা পাণ্ডবদের এই অজ্ঞাতবাসের সময়টা বেশ কৌতুহলোদ্দীপক। বিশেষ করে অর্জুনের মতো একজন শ্রেষ্ঠ বীরের 'বৃহন্নলা' রূপ ধারণ করাটা কাহিনীর এক অনন্য মোড়।
আপনি যদি চান, তবে আমি নিচের বিষয়গুলো নিয়ে আপনার সাথে আলোচনা করতে পারি:
বৃহন্নলার রূপ ও সাজসজ্জা: অর্জুন কীভাবে নারীবেশ ধারণ করেছিলেন এবং তাঁর বাহুর ধনুচিহ্ন লুকানোর জন্য কী কৌশল নিয়েছিলেন।
মহাভারতের বিরাট পর্বে অর্জুনের 'বৃহন্নলা' রূপের বর্ণনা অত্যন্ত চমৎকার এবং বৈচিত্র্যময়। একজন দুর্ধর্ষ বীর যখন স্বেচ্ছায় নারীত্ব বরণ করছেন, তখন তাঁর সাজসজ্জায় পুরুষোচিত শৌর্য এবং নারীসুলভ লাবণ্যের এক অদ্ভুত মিশ্রণ দেখা গিয়েছিল।
বৃহন্নলার সেই বিশেষ রূপ ও সাজসজ্জার মূল দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. বেশভূষা ও অলঙ্কার
অর্জুন তাঁর দীর্ঘ ও বলিষ্ঠ দেহে নারীদের মতো রঙিন সূক্ষ্ম বস্ত্র পরিধান করেছিলেন। তিনি দুই কানে কুন্তল (কানের দুল) এবং হাতে কাঁচের বা সোনার চুড়ি পরেছিলেন। তাঁর মাথায় ছিল লম্বা কেশপাশ, যা তিনি নারীদের মতো বিনুনি করে বেঁধে রাখতেন।
২. বাহুর ক্ষতচিহ্ন লুকানোর কৌশল
একজন শ্রেষ্ঠ ধনুর্ধর হিসেবে অর্জুনের দুই হাতে ধনুকের গুণ বা ছিলা ঘষার ফলে গভীর ক্ষতচিহ্ন (জ্যা-ক্লিন্ট) ছিল। একজন 'নর্তকী'র হাতে এমন চিহ্ন থাকা অসম্ভব। তাই তিনি সেই দাগগুলো লুকানোর জন্য দুই হাতে প্রচুর পরিমাণে শঙ্খের বলয় বা চুড়ি পরতেন, যাতে কারও মনে কোনো সন্দেহ না জাগে।
৩. প্রসাধন ও হাবভাব
বৃহন্নলা হিসেবে তিনি চোখে অঞ্জন (কাজল) পরতেন এবং কথা বলার সময় কণ্ঠস্বরকে কোমল ও সুরেলা করে তুলতেন। তাঁর হাঁটাচলা এবং অঙ্গভঙ্গিতে তিনি সুকৌশলে নারীসুলভ নমনীয়তা ফুটিয়ে তুলতেন, যা দেখে রাজা বিরাটের অন্তপুরের মহিলারাও তাঁকে নিজেদের একজন বলেই মনে করতেন।
৪. উর্বশীর অভিশাপের ভূমিকা
মহাভারত অনুসারে, স্বর্গের অপ্সরা উর্বশীর অভিশাপের ফলেই অর্জুন এই ক্লীবত্ব বা নপুংসক রূপ ধারণ করতে পেরেছিলেন। উর্বশী বলেছিলেন:
"তুমি এক বছরের জন্য নর্তক হয়ে নারীদের মাঝে বাস করবে।"
এই অভিশাপই অজ্ঞাতবাসের সময় অর্জুনের জন্য শ্রেষ্ঠ ছদ্মবেশ হিসেবে কাজ করেছিল।
বিরাট প্রাসাদে তাঁর ভূমিকা: রাজকুমারী উত্তরাকে নাচ, গান এবং বাদ্যযন্ত্র শেখানোর বর্ণিল দিকগুলো।
বিরাট রাজপ্রাসাদে অর্জুনের 'বৃহন্নলা' রূপ ধারণ এবং তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত কৌশলগত এবং শিল্পগুণে সমৃদ্ধ। একজন বিশ্ববিজয়ী বীর কীভাবে নিজেকে একজন নৃত্য ও গীত শিক্ষকের অন্তরালে লুকিয়ে রেখেছিলেন, তা সত্যিই বিস্ময়কর।
বিরাট প্রাসাদে তাঁর ভূমিকার মূল দিকগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
১. রাজকুমারী উত্তরার শিক্ষক (নৃত্য ও গীত)
বৃহন্নলা বিরাট রাজার কন্যা রাজকুমারী উত্তরা এবং রাজপ্রাসাদের অন্যান্য পরিচারিকাদের নাচ, গান এবং বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজানো শেখাতেন। তিনি মূলত অন্তঃপুরের নারীদের বিনোদন এবং শিক্ষার দায়িত্বে ছিলেন।
২. শিল্পকলায় পাণ্ডিত্য
অর্জুন যখন স্বর্গে ছিলেন, তখন চিত্রসেন গন্ধর্বের কাছ থেকে স্বর্গীয় নৃত্য ও সংগীত শিক্ষা করেছিলেন। সেই অর্জিত জ্ঞানই অজ্ঞাতবাসের সময় তাঁকে ছদ্মবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করেছিল। তিনি কেবল একজন শিক্ষকই ছিলেন না, বরং রাজকীয় উৎসবগুলোতে তাঁর পরিবেশনা সবাইকে মুগ্ধ করত।
৩. অন্তঃপুরের বিশ্বাসভাজন
বৃহন্নলা হিসেবে অর্জুন রাজমহিষী সুদেষ্ণা এবং রাজকুমারী উত্তরার অত্যন্ত স্নেহভাজন ও বিশ্বাসী হয়ে উঠেছিলেন। একজন নারীসুলভ আচরণের পুরুষ (ক্লীব) হওয়ার কারণে অন্তঃপুরের নারীদের মাঝে তাঁর অবাধ যাতায়াত ছিল, যা পাণ্ডবদের পরিচয় গোপন রাখতে বড় ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বীরত্বের সুপ্ত উপস্থিতি
বাইরে থেকে নর্তকী মনে হলেও, যখনই রাজকুমারী উত্তরা কোনো বিপদে পড়তেন বা মন খারাপ করতেন, বৃহন্নলা তাঁকে বড় ভাইয়ের মতো আগলে রাখতেন। এই সম্পর্কের গভীরতা পরবর্তীকালে অর্জুন-পুত্র অভিমন্যুর সাথে উত্তরার বিবাহের মাধ্যমে আত্মীয়তায় রূপ নেয়।
অর্জুনের অভিশাপ ও বর: উর্বশীর অভিশাপ কীভাবে অজ্ঞাতবাসের সময় তাঁর জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
অর্জুনের বৃহন্নলা রূপ ধারণ করার পেছনে এক চমৎকার স্বর্গীয় কাহিনী রয়েছে। এটি আসলে ছিল অপ্সরা উর্বশীর অভিশাপ, যা কালক্রমে পাণ্ডবদের অজ্ঞাতবাসের সময় বরে বা আশীর্বাদে পরিণত হয়েছিল।
এই কাহিনীর মূল পর্যায়গুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. উর্বশীর প্রেম নিবেদন
যখন অর্জুন দিব্যাস্ত্র লাভের আশায় ইন্দ্রপুরীতে (স্বর্গে) ছিলেন, তখন ইন্দ্রের নির্দেশে চিত্রসেন গন্ধর্ব তাঁকে নৃত্য ও গীতে পারদর্শী করে তোলেন। অর্জুনের রূপ ও গুণ দেখে কামমোহিত হয়ে অপ্সরা উর্বশী তাঁর কাছে প্রেম নিবেদন করেন।
২. অর্জুনের বিনয় ও প্রত্যাখ্যান
অর্জুন ছিলেন অত্যন্ত নীতিবান। তিনি উর্বশীকে 'মাতৃবৎ' সম্বোধন করে সসম্মানে প্রত্যাখ্যান করেন। অর্জুনের যুক্তি ছিল যে, পুরু বংশের আদিমাতা হিসেবে উর্বশী তাঁর কাছে জননীতুল্য।
৩. উর্বশীর অভিশাপ
নিজের সৌন্দর্য ও প্রেমের এই প্রত্যাখ্যান উর্বশী মেনে নিতে পারেননি। তিনি অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়ে অর্জুনকে অভিশাপ দেন:
"তুমি নপুংসক হয়ে নারীদের মাঝে নর্তক হিসেবে পরিচিত হবে এবং জনসমাজে নপুংসক হিসেবেই গণ্য হবে।"
৪. ইন্দ্রের হস্তক্ষেপ ও অভিশাপের রূপান্তর
ইন্দ্র যখন এই ঘটনার কথা জানতে পারেন, তিনি অর্জুনকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন যে, কোনো ঋষি বা দেবতার অভিশাপ পুরোপুরি মিথ্যে হয় না, তবে তা সীমিত করা যায়। ইন্দ্র সেই অভিশাপকে পরিবর্তন করে বলেন:
এই নপুংসক রূপ সারা জীবনের জন্য হবে না।
অর্জুন তাঁর জীবনের যেকোনো একটি বছর নিজের ইচ্ছামতো এই রূপটি গ্রহণ করতে পারবেন।
সেই একটি বছর শেষ হওয়ার পর তিনি পুনরায় নিজের পুরুষত্ব ও বীরত্ব ফিরে পাবেন।
কেন এটি 'বর' হিসেবে গণ্য হলো?
পাণ্ডবদের জন্য তেরো বছরের বনবাসের শেষ বছরটি ছিল অজ্ঞাতবাস। শর্ত ছিল, এই এক বছর যদি কেউ তাঁদের চিনে ফেলে, তবে আবারও ১২ বছরের বনবাসে যেতে হবে।
নিখুঁত ছদ্মবেশ: একজন বীর যোদ্ধার পক্ষে নর্তকী বা ক্লীব সেজে থাকা ছিল অকল্পনীয়। কৌরবরা বা তাঁদের চরেরা অর্জুনকে বীরের বেশেই খুঁজছিল, তাই বৃহন্নলা রূপটি ছিল সবচেয়ে নিরাপদ আড়াল।
সময়ের সঠিক ব্যবহার: উর্বশীর সেই অভিশাপটি অর্জুন বিরাট রাজার প্রাসাদে অজ্ঞাতবাসের সময় ব্যবহার করেন, যা তাঁকে ধরা পড়ার হাত থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছিল।
উত্তর-গোগ্রহণ যুদ্ধ: যখন অজ্ঞাতবাসের শেষ দিকে বৃহন্নলা রূপেই অর্জুন কৌরব সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন এবং সম্মোহন অস্ত্র ব্যবহার করেছিলেন।
অজ্ঞাতবাসের ঠিক শেষ লগ্নে উত্তর-গোগ্রহণ যুদ্ধ ছিল অর্জুনের বীরত্ব পুনরুত্থানের এক মহাকাব্যিক মুহূর্ত। এই যুদ্ধটি ছিল কৌরবদের একটি সুপরিকল্পিত চাল, যার উদ্দেশ্য ছিল পাণ্ডবদের পরিচয় ফাঁস করে দেওয়া।
এই যুদ্ধের প্রধান ঘটনাপ্রবাহ নিচে দেওয়া হলো:
১. কৌরবদের আক্রমণ ও রাজকুমার উত্তরের ভয়
দুর্যোধন ও ভীষ্ম-দ্রোণের নেতৃত্বে কৌরব সেনারা বিরাট রাজ্যের দক্ষিণ দিক থেকে গরু (গোধন) লুণ্ঠন শুরু করে। তখন প্রাসাদে কেবল তরুণ রাজকুমার উত্তর ছিলেন। তিনি বড় বড় কথা বললেও যুদ্ধের ময়দানে কৌরবদের বিশাল সৈন্যবাহিনী দেখে ভয়ে রথ ছেড়ে পালাতে শুরু করেন।
২. বৃহন্নলার সারথি রূপ ও রূপান্তর
ঠিক সেই মুহূর্তে বৃহন্নলা (অর্জুন) রাজকুমার উত্তরকে থামান এবং বলেন, "তুমি ভয় পেয়ো না, তুমি রথ চালাও, আমি যুদ্ধ করব।" তিনি উত্তরকে নিয়ে শ্মশানের সেই শমী বৃক্ষের কাছে যান, যেখানে পাণ্ডবরা তাঁদের অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিলেন। সেখানে বৃহন্নলা তাঁর ছদ্মবেশ ত্যাগ না করেই গাণ্ডীব ধনু হাতে তুলে নেন।
৩. পরিচয় প্রকাশ
অর্জুন যখন গাণ্ডীবের জ্যা-তে টঙ্কার দিলেন, তখন সেই শব্দে দিগন্ত কেঁপে উঠল। কৌরব শিবিরের ভীষ্ম ও দ্রোণাচার্য বুঝতে পারলেন যে এটি অন্য কেউ নন, স্বয়ং অর্জুন। কিন্তু দুর্যোধন আনন্দিত হলেন এই ভেবে যে, অজ্ঞাতবাস শেষ হওয়ার আগেই অর্জুন ধরা পড়েছেন (যদিও গণনা অনুযায়ী তখন তেরো বছর পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল)।
৪. সম্মোহন অস্ত্রের ব্যবহার
অর্জুন একা হাতে ভীষ্ম, দ্রোণ, কর্ণ, কৃপাচার্য এবং অশ্বত্থামাকে প্রতিহত করেন। যুদ্ধের এক পর্যায়ে তিনি 'সম্মোহন অস্ত্র' নিক্ষেপ করেন। এই অস্ত্রের প্রভাবে কৌরব সেনাদের সকল মহারথী ও সৈন্যগণ গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন।
৫. রাজকুমারীর জন্য উপহার
রাজকুমারী উত্তরা বৃহন্নলাকে বলেছিলেন যুদ্ধের ময়দান থেকে বীরদের রঙিন বস্ত্র নিয়ে আসতে। অর্জুন সম্মোহন অস্ত্রের প্রভাবে ঘুমিয়ে পড়া কৌরব বীরদের (যেমন কর্ণ ও কৃপাচার্যের) উত্তরীয় ও বস্ত্র কেটে নিয়ে আসেন, যা পরবর্তীতে উত্তরের পুতুলের সাজসজ্জায় ব্যবহৃত হয়েছিল।
যুদ্ধের ফলাফল
অর্জুন কৌরবদের পরাজিত করে সমস্ত গোধন উদ্ধার করেন এবং বিরাট রাজ্যে ফিরে আসেন। তবে তিনি রাজকুমার উত্তরকে নির্দেশ দেন যেন জয়ের কৃতিত্ব উত্তর নিজেই নেন, যাতে অজ্ঞাতবাসের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাঁদের আসল পরিচয় গোপন থাকে।

0 Comments